Previous
Next

সর্বশেষ


সোমবার, ডিসেম্বর ১৮, ২০১৭

দলের বাইরেও ভালো ক্যান্ডিডেট আছেন : কাদের

দলের বাইরেও ভালো ক্যান্ডিডেট আছেন : কাদের

দেশের খবর,নিজস্ব প্রতিবেদকঃঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি) নির্বাচনে মেয়র পদে আওয়ামী লীগের বেশ কয়েকজন ভালো প্রার্থী রয়েছেন বলে জানিয়েছেন দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।
আজ সোমবার দুপুরে ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের সাভারে হেমায়েতপুর বাসস্ট্যান্ডে ও নবীনগর বাসস্ট্যান্ডে সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্মিত দুটি ফুটওভার ব্রিজের ‍উদ্বোধন শেষে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী এ কথা বলেন।
এবার প্রথমবারের মতো দলীয় প্রতীকে নির্বাচন হবে উল্লেখ করে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘এবার ঢাকা সিটিতে ইলেকশন হবে দলীয় প্রতীকে, যেটা আগে হয়নি। প্রথম দলীয় প্রতীকে ইলেকশন হতে যাচ্ছে। দলীয় প্রতীকে যে নির্বাচন হবে, সেখানে দলীয় মনোনয়ন বোর্ড আছে, স্থানীয় সরকার মনোনয়ন বোর্ড। আমাদের নেত্রী, প্রধানমন্ত্রী, আমাদের পার্টির সভাপতি শেখ হাসিনা হচ্ছেন এই মনোনয়ন বোর্ডের চেয়ারপারসন। আমরা যথাসময়েই মনোনয়ন বোর্ড বসব।’
‘এর মধ্যে আমাদের নেত্রী কয়েকটি জরিপ করাচ্ছেন বিভিন্ন সংস্থাকে দিয়ে। এই জরিপ এবং আমরা নিজেরা খোঁজখবর নিচ্ছি। মনোনয়ন বোর্ড বৈঠকে এই জরিপগুলো আসবে। সবকিছু মিলিয়ে আমাদেরই কিন্তু বেশ কয়েকজন ভালো প্রার্থী আছেন। দলের লোকও আছেন। আবার দলের বাইরে সমর্থকদের মধ্যেও বেশ কয়েকজন ভালো ক্যান্ডিডেট এর মধ্যে এসেছেন। সব বিবেচনা করে আমরা যে প্রার্থী সবচেয়ে বেশি জনগণের কাছে গ্রহণযোগ্য বলে বিবেচিত হবেন, আমরা তাঁকেই দেবো।’
দেশে গণতন্ত্র নেই বলে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের দেওয়া বক্তব্যের কঠোর সমালোচনা করে মন্ত্রী বলেন, ‘গণতন্ত্র নেই আসলে বিএনপিতেই। আর দেশে গণতন্ত্র আছে বলেই বাংলাদেশের মর্যাদা আজ বিশ্বব্যাপী। এ দেশের মাটিতে আইপিএ সম্মেলনে করে বিশ্ববাসী সেটা বুঝিয়ে দিয়েছে দেশের গণতন্ত্র আছে কি নেই।’
ওবায়দুল কাদের প্রশ্ন রেখে বলেন, ‘দেশ যদি কারাগারে পরিণত হয়, তাহলে বিএনপির বড় বড় নেতা বিভিন্ন মামলায় জামিন নিয়ে জেল থেকে কীভাবে বের হলেন? ছোট নেতারা যারা কারাগারে আছেন আইন-আদালতে গিয়ে জামিন করান। সেই চেষ্টা তো তাঁদের নেই। নিজেরা নিজেদেরটা করে নিয়েছেন। তাঁদের বড় নেতারা তো সবাই জেলের বাইরে।’
এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী আরো বলেন, ‘নির্ধারিত সময়ে পদ্মা সেতুর নির্মাণকাজ সম্পন্ন করা নিয়ে কোনো সংশয় নেই। যথাসময়ে পদ্মা সেতুর নির্মাণকাজ সম্পন্ন করতে কাজ করছে সরকার।’
এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মেহেদী ইকবাল, সাভার উপজেলা পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ফখরুল আলম সমর, সাভার উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মঞ্জুরুল আলম, বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ফারুক হাসান তুহিন, ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাসুদ চৌধুরী প্রমুখ।
এবার সাড়ে ৩৫ কোটি পাঠ্যবই দেবে সরকার

এবার সাড়ে ৩৫ কোটি পাঠ্যবই দেবে সরকার


দেশের খবর,নিজস্ব প্রতিবেদকঃনতুন বছরের প্রথম দিনেই সারা দেশের শিক্ষার্থীদের হাতে নতুন পাঠ্যবই তুলে দেওয়া হবে বলে জানালেন শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ। 

আজ সোমবার রাজধানীর মাতুয়াইল এলাকায় কয়েকটি ছাপাখানা পরিদর্শন শেষে একথা জানান শিক্ষামন্ত্রী।

নুরুল ইসলাম নাহিদ জানান, এবার প্রথম শ্রেণি থেকে দশম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের প্রায় সাড়ে ৩৫ কোটি বই দেবে সরকার। বই ছাপানোর ক্ষেত্রে গুটিকয়েক প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান গাফিলতি করছে জানিয়ে তিনি বলেন, এ বিষয়ে সতর্ক আছে সরকার। তবে বেশির ভাগ বই এরই মধ্যে তৃণমূল পর্যায়ে পৌঁছে গেছে বলে জানান তিনি। এ ছাড়া বইয়ের বোঝা কমানোর পাশাপাশি শিক্ষার মান বৃদ্ধিতে সরকার আন্তরিকভাবে কাজ করছে বলেও মন্তব্য করেন মন্ত্রী।

গত বছরের তুলনায় এ বছর ১০ লাখ ৭০ হাজার বই বেশি ছাপানো হয়েছে উল্লেখ করে তিনি জানান, এরই মধ্যে ৯৭ শতাংশ অর্থাৎ ৩৪ কোটিরও বেশি বই বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পৌঁছে গেছে। চলতি সপ্তাহের মধ্যে বাকি বইও পৌঁছে যাবে। 

নুরুল ইসলাম নাহিদ বলেন, এবার আজিমপুর গভর্নমেন্ট গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজে ২০১৮ সালের পয়লা জানুয়ারি বিনামূল্যে বই বিতরণের জন্য পাঠ্যপুস্তক উৎসবের আয়োজন করা হবে। সেখান থেকে সারা দেশে আনুষ্ঠানিকভাবে নতুন পাঠ্যবই বিতরণের কার্যক্রম শুরু করা হবে। 

এ ছাড়া চলতি মাসের ৩০ তারিখ গণভবনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতে ২০১৮ শিক্ষাবর্ষের পাঠ্যপুস্তক তুলে দেওয়া হবে বলে শিক্ষামন্ত্রী জানান। পাশাপাশি জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট (জেএসসি) ও জুনিয়র দাখিল সার্টিফিকেট (জেডিসি) পরীক্ষার ফল প্রধানমন্ত্রীর হাতে তুলে দেওয়া হবে বলেও উল্লেখ করেন তিনি। আগামী ৩০ ডিসেম্বর সারা দেশে একযোগে জেএসসি-জেডিসি পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হবে।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, শিক্ষার্থীদের বইয়ের বোঝা কমানোর জন্য এরই মধ্যে কাজ শেষ করা হয়েছে। এ বছর নবন-দশম শ্রেণিতে ১২টি সুখপাঠ্য বই দেওয়া হবে। সম্পূর্ণ রঙিন ও উন্নত মানের কাগজে এসব বই ছাপা হয়েছে। সেসব বইয়ের ছবি দেখে ও পড়ে শিক্ষার্থীরা আনন্দ পাবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে নুরুল ইসলাম নাহিদ বলেন, প্রশ্নপত্র ফাঁসের সঙ্গে কিছু সংখ্যক শিক্ষক জড়িত রয়েছেন। তারা টাকার বিনিময়ে প্রশ্নপত্র ফাঁস করে দেয়।

তিনি বলেন, বিজি প্রেস থেকে শুরু করে জেলা প্রশাসক ও থানা নির্বাহী কর্মকর্তা পর্যন্ত কোনো প্রশ্নপত্র ফাঁস হয় না। যেদিন পরীক্ষা শুরু হবে, এর কিছুক্ষণ আগে শিক্ষকদের মাধ্যমে প্রশ্নপত্র ফাঁস হয়ে থাকে। এ ধরনের শিক্ষকদের নৈতিক মূল্যবোধের অভাব রয়েছে। দেশ ও জাতির স্বার্থে এর থেকে তাঁদের বের হয়ে আসতে হবে।

বিনামূল্যের পাঠ্যপুস্তক খোলাবাজারে বিক্রি হচ্ছে এমন প্রশ্নের জবাবে নাহিদ বলেন, এ ধরনের সুনির্দিষ্ট তথ্য তাঁদের জানা নেই। 

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক শাখার অতিরিক্ত সচিব মুফাদ আহমেদ চৌধুরী, জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক নারায়ণ চন্দ্র সাহা ও মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।
লাশ দেখে কান্নায় ভেঙে পড়লেন নওফেল

লাশ দেখে কান্নায় ভেঙে পড়লেন নওফেল

দেশের খবর,নিউজ ডেস্কঃমাত্র চারদিন আগে বাবাকে হারিয়েছেন। তাঁর বাবার কুলখানির আয়োজন করা হয়েছিল। আর সেখানেই ঘটল এমন মর্মান্তিক ঘটনা! মারা গেল ১০। হতাহতদের দেখতে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ছুটে গিয়েছিলেন সাবেক মেয়র এ বি এম মহিউদ্দিন চৌধুরীর ছেলে মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল। সেখানে গিয়ে তিনি নিজেই কান্নায় ভেঙে পড়েন। আজ সোমবার দুপুর দেড়টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। নওফেল আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক। 
চট্টগ্রামের সাবেক মেয়র ও আওয়ামী লীগ নেতা এ বি এম মহিউদ্দিন চৌধুরীর কুলখানিতে পায়ের চাপে পিষ্ট হয়ে ১০ জন নিহত হন। একই ঘটনায় আহত হয়েছেন ২০ জন। সোমবার দুপুর ১২টার দিকে নগরীর জামাল খান রোডের রিমা কনভেনশন সেন্টারে ওই দুর্ঘটনা ঘটে।হতাহতদের চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ঘটনা শুনে হাসপাতালে ছুটে আসেন মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল।
হাসপাতালে এসেই তিনি হতাহত ব্যক্তিদের খোঁজখবর নেন। এ সময় তিনি লাশ দেখতে পান। এরপরই তিনি কান্নায় ভেঙে পড়েন। তিনি আহাজারিও করতে থাকেন। এরই একপর্যায়ে কিছুক্ষণের জন্য জ্ঞান হারানোর মতো অবস্থা হয়েছিল তাঁর। 
হাসপাতালের কর্মী ও অন্যরা নওফেলকে দ্রুত ওই এলাকা থেকে বের করে নিয়ে আসেন। পরে তাঁকে একটি অ্যাম্বুলেন্সে করে একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। নওফেলের স্বজনরা জানান, সেখানে কিছুক্ষণ বিশ্রামের পর নওফেলকে বাসায় নিয়ে যাওয়া হয়। 
গত বৃহস্পতিবার দিবাগত ভোররাতে চট্টগ্রামের একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বন্দরনগরীর প্রভাবশালী আওয়ামী লীগ নেতা মহিউদ্দিন চৌধুরী মারা যান। তাঁর বয়স হয়েছিল ৭৪ বছর। তিনবার নির্বাচিত এই মেয়রের মৃত্যুতে চট্টগ্রামের রাজনৈতিক অঙ্গনসহ সব স্তরের মানুষের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে আসে।
নিহতদের পরিবারকে দেওয়া হবে ১ লাখ করে টাকা

নিহতদের পরিবারকে দেওয়া হবে ১ লাখ করে টাকা

দেশের খবর,নিউজ ডেস্কঃসদ্য প্রয়াত চট্টগ্রামের সাবেক মেয়র ও আওয়ামী লীগ নেতা মহিউদ্দিন চৌধুরীর কুলখানিতে এসে পদদলিত হয়ে যারা নিহত হয়েছেন তাদের পরিবার প্রতি এক লাখ করে টাকা দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে সরকার। কুলখানিতে এখন পর্যন্ত কমপক্ষে ১৪ জন নিহত হয়েছেন। এর সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে ধারণা করছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
নগরীর ১৩টি কমিউনিটি সেন্টার ও চশমা হিলের বাড়িতে মেজবানের আয়োজন করা হয়েছে। নগরীর ১৪ স্থানে একযোগে দুপুরে ওই মেজবানে প্রায় ৩ লাখ মানুষের খাবারের ব্যবস্থা থাকছে।
সোমবার রাজধানীর কাজীর দেউরি এলাকার একটি কমিনিউটি সেন্টারে হিন্দুদের জন্য খাবারের আয়োজন করা হয়। সেখানেই এ দুর্ঘটনা ঘটে। সেখানে দুপুর ১টার পর প্রচণ্ড ভিড় তৈরি হয়। একপর্যায়ে হুড়োহুড়ি কেন্দ্র করে পদদলিত হয়ে হতাহতের ঘটনা ঘটে।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এটি বন্দরনগরী চট্টগ্রামের স্মরণকালের সবচেয়ে বড় মেজবান। একসঙ্গে একই সময়ে ১৪ স্থানে এত লোকের খাবারের আয়োজন আগে কখনো হয়নি। ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে নগরীর বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার লাখো মানুষ আজকের মেজবানে অংশ নেবেন বলে আশা করছেন নগর আওয়ামী লীগের নেতারা।
মেজবানে খাবারের তালিকায় আছে মহিউদ্দিন চৌধুরীর প্রিয় সাদাভাত, গরুর ঝালভুনা এবং নলা দিয়ে ছোলার ডাল। মুসলমান ছাড়া অন্য ধর্মাবলম্বীদের জন্য থাকছে সাদাভাতের সঙ্গে ছাগলের মাংস ও নলা দিয়ে ডাল। নগরীর ৪১টি ওয়ার্ডের মানুষের জন্য ভাগ করে দেওয়া হয়েছে নির্দিষ্ট কমিউনিটি সেন্টার।
প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা আত্মনির্ভরশীলতার দিকে নিয়ে যাবে দেশকে

প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা আত্মনির্ভরশীলতার দিকে নিয়ে যাবে দেশকে

দেশের খবর,নিউজ ডেস্কঃপ্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা উচ্চ পদস্থ সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ প্রদানে ন্যাশনাল ডিফেন্স কলেজের ভূমিকার প্রশংসা করে বলেছেন, এই কর্মকর্তাদের অনেকেই জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক পর্যায়ে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে সক্ষম হচ্ছে।
প্রধানমন্ত্রী আশা প্রকাশ করে বলেন, ‘ন্যাশনাল ডিফেন্স কলেজে প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত কর্মকর্তাগণ ‘জ্ঞানেই নিরাপত্তা’ কলেজের এই মূলমন্ত্রে অনুপ্রাণিত হয়ে দেশকে টেকসই উন্নয়ন এবং আত্মনির্ভরশীলতার দিকে এগিয়ে নিয়ে যাবে।’
আজ সোমবার মিরপুর সেনানিবাসের ডিফেন্স সার্ভিসেস স্টাফ কলেজের শেখ হাসিনা কমপ্লেক্সে (ডিএসসিএসসি) ন্যাশনাল ডিফেন্স কলেজ (এনডিসি) এবং আর্মড ফোর্সেস ওয়ার কোর্স (এএফডব্লিুওসি)-এর গ্র্যাজুয়েশন উৎসবের বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন।
শেখ হাসিনা বলেন, তাঁর সরকার সশস্ত্র বাহিনীর আধুনিকায়নে সর্বশেষ প্রযুক্তি ও আধুনিক সরঞ্জামাদির সরবরাহ নিশ্চিত করেছে এবং সর্বোত্তম প্রশিক্ষণ প্রদানের লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ স্থাপনা তৈরি করেছে। একটি পেশাদার ও প্রশিক্ষিত সশস্ত্র বাহিনী প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে আমরা সর্বদা কাজ করে যাচ্ছি।
২২ জানুয়ারি থেকে রোহিঙ্গাদের  ফেরত পাঠাতে চায় বাংলাদেশ

২২ জানুয়ারি থেকে রোহিঙ্গাদের ফেরত পাঠাতে চায় বাংলাদেশ

দেশের খবর,নিউজ ডেস্কঃমিয়ানমারের সঙ্গে চুক্তি সইয়ের দুই মাসের মধ্যে রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নেয়ার কাজ শুরু করার কথা৷ আর সেই চুক্তি অনুযায়ী ২২শে জানুয়ারি থেকে রোহিঙ্গাদের ফেরত পাঠানো শুরু করতে চায় বাংলাদেশ৷ চুক্তি হয়েছিল গত ২৩শে নভেম্বর৷

বাংলাদেশ থেকে রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসন সম্পর্কিত মিয়ানমার ও বাংলাদেশের মধ্যে সমঝোতা চুক্তি সই হয় গত ২৩শে নভেম্বর মিয়ানমারের রাজধানী নেপোদিতে৷ সেই চুক্তিতে বলা হয়, তিন সপ্তাহের মধ্যে যৌথ ওয়ার্কিং কমিটি গঠন এবং দুই মাসের মধ্যে রোহিঙ্গাদের ফেরত নেয়া শুরু করবে মিয়ানমার৷ তবে তারা কত দিনের মধ্যে এই প্রক্রিয়া শেষ করবে তা বলা হয়নি চুক্তিতে৷ শুধু বলা হয়েছে দ্রুততম সময়ের মধ্যে ফেরত নেয়া হবে৷
তিন সপ্তাহের মধ্যে যৌথ ওয়াকিং কমিটি গঠন করার কথা হলেও তা হয়নি৷ কমিটি'র তালিকা হস্তান্তর হয়েছে মাত্র৷ তাদের ‘টার্মস অব রেফারেন্স'  চূড়ান্ত হয়নি৷ ১৯ ডিসেম্বর ঢাকায় আসছেন মিয়ানমারে পররাষ্ট্র সচিব মিন্ট থো৷ বাংলাদেশের পররাষ্ট্র সচিব এম শহীদুল হক এবং মিয়ানমারের পররাষ্ট্র সচিব বৈঠকে বসে কমিটি এবং টার্মস অব রেফারেন্স চূড়ান্ত করবেন৷

এ নিয়ে রবিবার বিকেলে ঢাকায় পরারাষ্ট্র সচিব এম শহীদুল হকের সভাপতিত্বে এক আন্তঃমন্ত্রণালয় বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে৷ বৈঠক সূত্র জানিয়েছে, বাংলাদেশের টার্গেট হল চুক্তি অনুযায়ী দুই মাসের মধ্যেই অর্থাৎ ২২শে জানুয়ারি থেকে রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারে ফেরত পাঠানো শুরু করা৷ আর যেহেতু বাংলাদেশ রোহিঙ্গাদের ‘ফোর্সড রিপ্যাট্রিয়েশন' এর বিরোধী , এই এই সময়ের আগেই মিয়ানমারকে রোহিঙ্গাদের নিরাপত্তা এবং অধিকারের বিষয়টি চূড়ান্ত করতে হবে৷''

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন এবং আন্তঃমন্ত্রণালয় বৈঠকের খোঁজ রাখছেন অনলাইন নিউজ পোর্টাল বাংলা ট্রিবিউনের বিশেষ প্রতিনিধি ও কূটনৈতিক প্রতিবেদক শেখ শাহরিয়ার জামান৷ তিনি ডয়চে ভেলেকে জানিয়েছেন, জয়েন্ট ওয়ার্কিং গ্রুপের টার্মস অব রেফারেন্সে অনেক খুঁটিনাটি বিষয় আছে৷ তবে একটি বিষয় চূড়ান্ত যে, ওয়ার্কিং গ্রুপে দুই দেশ থেকেই সচিব পদমর্যাদার একজন করে কর্মকর্তা নেতৃত্ব দেবে৷ এছাড়া এই কমিটি কোথায় যাবে, কোন সীমান্ত দিয়ে যাবে, কতদিনে তাদের কাজ শেষ হবে এসব কিছু চূড়ান্ত হবে৷ তবে বাংলাদেশ জোর দিচ্ছে নির্ধারিত দুই মাসের মধ্যেই রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন শুরু করতে৷''

এদিকে অভিবাসন বিষয়ক আন্তর্জাতিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান এক্সচেঞ্জের জরিপ থেকে জানা গেছে, রাখাইনে পরিস্থিতির উন্নতি হলে ৭৮ শতাংশ রোহিঙ্গা মিয়ানমারে ফিরে যেতে চায়৷ শতকরা ১৬ ভাগ রোহিঙ্গা ফেরত যাওয়ার বিপক্ষে৷ আর শতকরা ৬ ভাগ রোহিঙ্গা কোনো শর্ত ছাড়াই মিয়ানমারে ফেরত যেতে চায়৷

মিয়ানমারে বাংলাদেশের সাবেক ডিফেন্স এটাশে মেজর জেনারেল (অব.) শহীদুল হক বলেন, ‘‘বাংলাদেশের মত মিয়ানমারও দ্রুত রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসন শুরু করতে চায়৷ দু'দিন আগে মিয়ানমারে এক মন্ত্রী একথা বলেছেনও৷  কিন্তু রোহিঙ্গাদের নিয়ে কোথায় রাখা হবে? তাদের ঘরবাড়িতো পুড়িয়ে দেয়া হয়েছে৷ ১২টি আন্তর্জাতিক এনজিও বলেছে এই প্রক্রিয়ার সঙ্গে তারা নেই৷ তারা চুক্তি রিভাইস করার কথা বলছে৷ তারা এখানে অর্থ দেবে না৷ তাহলে টাকা আসবে কোথা থেকে? আর সেখানে রোহিঙ্গাদের নিরাপত্তা কে দেবে?''

গত ২৩শে নভেম্বর মিয়ানমারের সঙ্গে বাংলাদেশের সমঝোতা স্মারক সই করা হয়েছে ১৯৯২ সালের চুক্তির আলোকে৷ ১৯৯২ সালের চুক্তিতে রোহিঙ্গাদের নাগরিক মর্যাদা দেয়ার বিষয়টি নেই৷ ওই চুক্তিতে রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারের স্থায়ী অধিবাসী হিসেবে সেখানকার সমাজে অন্তর্ভুক্তির কথা ছিল৷ রোহিঙ্গাদের অধিকারসহ মিয়ানমারের সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠীর মৌলিক সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিতের উল্লেখ ছিল না৷

সমঝোতা স্মারক অনুযায়ী, মিয়ানমার ২০১৬ সালের ৯ অক্টোবরের পর ও এ বছরের ২৫ আগস্টের পরে যারা বাংলাদেশে পালিয়ে এসেছে তাদের ফেরত নেবে৷ এই শর্ত মানা হলে বাংলাদেশ থেকে মিয়ানমারের সাত লাখের মত রোহিঙ্গা ফেরত নেয়া উচিত৷ কিন্তু বাংলাদেশে এখন রোহিঙ্গা শরণার্থী আছে সাড়ে ১০ লাখ৷ ২৫ শে আগস্ট থেকে এ পর্যন্ত ছয় লাখ ৪০ হাজার রোহিঙ্গা বাংলাদেশে এসেছে মিয়ানমার থেকে৷

২০১৬ সালের আগে আসা তিন লাখ রোহিঙ্গা ফেরত নেয়ার কথা চুক্তিতে নেই৷ এবারের চুক্তিতে ফেরত নেয়া রোহিঙ্গাদের প্রথমে অস্থায়ী পুনর্বাসন ক্যাম্পে রাখার কথা বলা হয়েছে৷ এরপর তাদের ফেলে আসা ঘড়বাড়ি বা অন্যকোথাও পুনর্বাসন করা হবে৷ কিন্তু নাগরিকত্বের বিষয়টি স্পষ্ট করা হয়নি৷

১৯৯২ সালে দু'দেশের মধ্যে যে সমঝোতা হয় তার অধীনে ২০০৫ সাল পর্যন্ত ১৩ বছরে মাত্র দুই লাখ ৩৬ হাজার রোহিঙ্গা ফেরত নেয় মিয়ানমার৷ তবে ১৯৭৮ সালে যে চুক্তি হয়েছিল, তার অধীনে ছয় মাসেরও কম সময়ের মধ্যে প্রায় ২ লাখ ৪০ হাজার রোহিঙ্গাকে ফেরত নিয়েছিল মিয়ানমার৷
টি-১০ প্রথম শিরোপা জিতলো সাকিবরা

টি-১০ প্রথম শিরোপা জিতলো সাকিবরা

দেশের খবর,স্পোর্টস ডেস্কঃদুবাইয়ে প্রথমবারের মতো আয়োজিত টি-টেন টুর্নামেন্টের শিরোপা জিতলো সাকিব আল হাসানদের কেরালা কিংস। ফাইনালে পাঞ্জাবী লেজেন্ডসকে ৮ উইকেটে হারিয়েছে কেরেলা কিংস।
শারজাহতে টসে জিতে প্রথমে ফিল্ডিং করার সিদ্ধান্ত নেন কেরেলা কিংসের অধিনায়ক ইয়ন মরগান। প্রথম দুই ওভারে ১৯ রানের বিনিময়ে ১ উইকেট নিয়ে ভালোই সূচনা করে কেরেলা। কিন্তু ওপেনার লুক রনকি ও শোয়েব মালিক সেমিফাইনালের মতো ফাইনালেও বড় জুটি গড়ে তোলেন। এই দুই ব্যাটসম্যানের ৮৩ রানের জুটিতে ভর করে নির্ধারিত ১০ ওভারে ১২০ রানের লড়াকু স্কোর পায় পাঞ্জাবী লেজেন্ডস।

লুক রনকি ৩৪ বলে ৫ চার আর ৫ ছক্কায় করেছেন ৭০ রান। অন্যদিকে শোয়েব মালিক ১৪ বলে ১ চার আর ২ ছক্কায় করেছেন ২৬ রান। কেরালা কিংসের পক্ষে লিয়াম প্ল্যাঙ্কেট ও রায়ান ইমরিত ১ টি করে উইকেট নেন। আগের দুই ম্যাচে বোলিং না করা সাকিব ফাইনালে ২ ওভার বোলিং করে দিয়েছেন ৩১ রান। প্রথম ওভারে ১০ রান দিয়ে ভালো সূচনা করলেও দ্বিতীয় ওভারে দিয়েছেন ২১ রান।
১২১ রানের টার্গেটে ব্যাট করতে নেমে প্রথম বলেই উইকেট হারায় কেরেলা। ফাহিম আশরাফের বলে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন ওয়ালটন। তবে দ্বিতীয় উইকেটে ওপেনার পল স্টার্লিংকে সাথে নিয়ে পাঞ্জাবী বোলারদের উপর রীতিমতো তান্ডব চালান কেরেলার অধিনায়ক ইয়ন মরগান। দলের জয় থেকে মাত্র ৮ রান দূরে থাকতে আউট হোন মরগান। কিন্তু এর পুর্বে পাঞ্জাবী লেজেন্ডসের সর্বনাশ করে গেছেন। মাত্র ২১ বলে ৫ টি চার আর ৬ টি ছক্কায় ৬৩ রান করেন কেরেলার অধিনায়ক। শেষ দিকে জয়ের আনুষ্ঠানিকতা সেরেছেন ওপেনার পল স্টার্লিং। ২৩ বলে ৩ চার আর ৫ ছক্কায় ৫২ রান করে অপরাজিত থাকেন এই ক্রিকেটার। কেরালা কিংস জয় পায় ৮ উইকেটে।

এর পূর্বে প্রথম সেমিফাইনালে মারাঠা অ্যারাবিয়ান্সকে ৫ উইকেটে হারিয়ে ফাইনালে উঠেছিল কেরেলা কিংস। অন্যদিকে দ্বিতীয় সেমিফাইনালে ১২৯ রানের বিশাল স্কোর করেও পাঞ্জাবী লিজেন্ডসের কাছে ৯ উইকেটে হেরেছে পাখতুন্স