Previous
Next

সর্বশেষ


শুক্রবার, সেপ্টেম্বর ১৪, ২০১৮

দুধে ভেজাল আছে কিনা বুঝবেন যেভাবে

দুধে ভেজাল আছে কিনা বুঝবেন যেভাবে


পুষ্টি ও শক্তি বৃদ্ধির অন্যতম উপাদান দুধ। শিশু থেকে বৃদ্ধ সবারই প্রয়োজন হয় এই দুধের। তবে কিছু অসাধু ব্যক্তি অধিক লাভের আশায় দুধে ভেজাল মিশিয়ে মানুষের জীবনকে হুমকির মুখে ঠেলে দিচ্ছেন।
দুধে ভেজাল আছে কিনা তা জানা খুবই সোজা। ঘরোয়া উপায়েই যে কেউ পরীক্ষা করে নিতে পারেন দুধে ভেজাল রয়েছে কিনা।
একটু দুধ মাটিতে ঢালুন। যদি দেখেন গড়িয়ে গিয়ে মাটিতে সাদা দাগ পড়ে, তা হলে এ দুধ খাঁটি। অশুদ্ধ হলে মাটিতে সাদা দাগ পড়বে না।
দুধ গরম করতে গেলেই কি হলদেটে হয়ে যাচ্ছে? তা হলে এ দুধ খাঁটি নয়। এতে মেশানো হয়েছে কার্বোহাইড্রেট।
একটু দুধ পাত্রে নিয়ে তাতে ২ চা চামচ লবণ মেশান। যদি লবণের সংস্পর্শে এসে দুধ নীলচে হয়, তা হলে বুঝবেন, এ দুধে কার্বোহাইড্রেট রয়েছে।
দুধে ফরমালিন রয়েছে কিনা তা বুঝতে এর মধ্যে একটু সালফিউরিক অ্যাসিড মেশান। যদি নীল রং হয়, তবে ফরমালিন আছে।
একটি বোতলে দুধের সমান পানি মেশান। এবার বোতলের মুখ বন্ধ করে জোরে ঝাঁকাতে হবে। অস্বাভাবিক ফেনা হলেই বুঝবেন, দুধে মেশানো হয়েছে ডিটারজেন্ট। সূত্র: আনন্দবাজার।
চুল পড়া বন্ধে করণীয়

চুল পড়া বন্ধে করণীয়


মানুষের সৌন্দর্যের অন্যতম আকর্ষণ হচ্ছে চুল। সম্প্রতি সময়ে চুল পড়া সমস্যা বড় উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এই সমস্যায় ভুগেছেন অনেকেই।

মাত্রাতিরিক্ত চুল পড়ার কারণে পাতলা হয়ে যাচ্ছে মাথার চুল। এতে সৌন্দর্য হারাচ্ছেন আপনি। নানা রকম শ্যাম্পু ও তেল ব্যবহার করেছেন। আর শেষমেশ ডাক্তারের কাছে গিয়েও মিলছে না সমাধান।

নারী ও পুরুষ সবাই কমবেশি এই সমস্যায় মুখোমুখি হন। তবে মাত্রারিক্ত চুল পড়া কিন্তু খারাপ লক্ষণ। কারণ একবার চুল পড়া শুরু হলে অনেকের চুল এত বেশি পড়ে যে টাক পড়ে যায়।

বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রতিদিন ১০০ চুল পড়া স্বাভাবিক। এর বেশি পড়লে তা চিন্তার কারণ।

কেন চুল পড়ে?
মাথার ত্বকে নতুন কোষ তৈরি হয় এবং পুরোনো কোষগুলো ঝরে যায়। কিন্তু পুরোনো কোষগুলো যখন ঠিকঠাক ঝরে যেতে পারে না, তখন সেগুলো জমে যায় ও ফাঙ্গাস সংক্রমিত হয়।

ফলে খুশকি হয়। এ থেকে নানা ধরনের সমস্যা তৈরি হয়। এর মধ্যে প্রধান সমস্যা হলো চুল পড়া। এ সমস্যায় ভুগলে বেশি দেরি না করে ব্যবস্থা গ্রহণ করা উচিত।

আসুন জেনে নেই চুল পড়া বন্ধে করণীয়।

ওজোন থেরাপি
চুল পড়া কমাতে ও চুলের সৌন্দর্য ধরে রাখতে ওজোন থেরাপি খুব উপকারী। এ থেরাপির ফলে মৃত কোষ সরে গিয়ে গোড়া থেকে চুল গজানো শুরু হয়। প্রথমে চুলে ৫ থেকে ১০ মিনিট এই ওজোন থেরাপি দিন। এতে মাথার তালুতে রক্ত সঞ্চালন বৃদ্ধি পাবে এবং চুল পড়া কমে যাবে।

তেল ম্যাসাজ
একটি পাত্রে নারকেল তেল, ক্যাস্টর তেল ও দুই-তিন ফোঁটা লেবুর রস মিশিয়ে ভেষজ তৈরি করুন। তালুতে চিরুনির সাহায্যে ঘষে মৃত কোষগুলোকে আলাদা করে ফেলুন। এর পরে ঘষে ঘষে মাথায় তেল দিন।

জেল ব্যবহার
চুলের ফাঁকে হেয়ার জেল লাগান। জেল ব্যবহারের ফলে চুলের উজ্জ্বলতা বহুগুণ বেড়ে যাবে। ফলে চুলের গোড়া মজবুত হবে।

টনিক ব্যবহার
টনিক ব্যবহার চুলের সৌন্দর্য বৃদ্ধিতে বেশ কার্যকর। এর মধ্যে রয়েছে আমল হেয়ার অয়েল। এই তেল চুলে দিয়ে ১০ মিনিট ম্যাসাজ করুন। এতে করে চুলের গোড়ায় যে রক্তকণিকাগুলো আছে, সেগুলো উদীপ্ত হবে ও চুল পড়া বন্ধ হবে।

হেয়ার স্টিম
এবার চুলের জন্য ১০ মিনিট স্টিম করুন।

প্যাক ব্যবহার
খুশকি দূর করার জন্য বিশেষ প্যাক ব্যবহার করুন। একটি র‍্যাপিং পেপারের সাহায্যে চুলগুলো মুড়িয়ে রাখুন। এভাবে ১৫ থেকে ২০ মিনিট মাথায় রেখে ধুয়ে ফেলুন।

হেয়ার সিরাম
চুল শুকানোর পরে চুল ঝরঝরে রাখতে হেয়ার সিরাম ব্যবহার করবেন।
ঋণখেলাপিদের পকেটে ১ লাখ ৩১ হাজার কোটি টাকা: অর্থমন্ত্রী

ঋণখেলাপিদের পকেটে ১ লাখ ৩১ হাজার কোটি টাকা: অর্থমন্ত্রী

অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত বলেছেন, ঋণখেলাপির সংখ্যা দুই লাখ ৩০ হাজার ৬৫৮ জন। ঋণখেলাপিদের কাছ থেকে অনাদায়ী টাকার পরিমাণ ১ লাখ ৩১ হাজার ৬৬৬ কোটি টাকা। ঋণখেলাপি এ টাকার পরিমাণ বাংলাদেশের সর্বশেষ প্রণীত বাজেটের এক চতুর্থাংশেরও বেশি।

বুধবার জাতীয় সংসদে বেগম পিনু খানের করা এক প্রশ্নের জবাবে বাংলাদেশ ব্যাংকের সিআইবি ডাটাবেজে সংরক্ষিত সর্বশেষ গত জুন মাসের তথ্যানুযায়ী অর্থমন্ত্রী এ তথ্য জানান।

একই সঙ্গে অর্থমন্ত্রী ব্যাংকভিত্তিক খেলাপি ঋণের পরিমাণ ও শীর্ষ ১০০ ঋণখেলাপির তালিকা জাতীয় সংসদে উপস্থাপন করেছেন।

অর্থমন্ত্রী বলেন, চলতি ২০১৮-১৯ অর্থবছরে বিভিন্ন প্রকল্পের অনুকূলে বিভিন্ন দেশ ও সংস্থা থেকে প্রাপ্ত বৈদেশিক সাহায্যের আশ্বাসের পরিমাণ ছিল ৩৬১.৩৫ মিলিয়ন ডলার। এর মধ্যে ঋণের পরিমাণ ৩৬০ মিলিয়ন ডলার এবং অনুদানের পরিমাণ ১.৩৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার এবং বৈদেশিক সাহায্যের প্রাপ্তির (ডিসবার্সমেন্ট) পরিমাণ ছিল ১৮৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। এর মধ্যে ঋণের পরিমাণ ১৮৫.৪৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলার এবং অনুদানের পরিমাণ ২.৪২ মার্কিন ডলার।

অর্থমন্ত্রী সংসদকে জানিয়েছেন, কৃষিঋণের সুদহার ২০১৭ সালের জুলাই মাস থেকে ৯ শতাংশে নামানো হয়েছে। এর আগে এটি ১০ শতাংশ ছিল।

অর্থমন্ত্রী বলেন, ২০১৭-১৮ অর্থবছরে সারা দেশে বেসরকারি ব্যাংক থেকে কৃষকদের মধ্যে ১১ হাজার ৩১৬ কোটি টাকার কৃষি ও পল্লী ঋণ প্রদান করা হয়েছে।

তিনি বলেন, চলতি ২০১৮-১৯ অর্থবছরের ৩১ জুলাই পর্যন্ত অর্থাৎ এক মাসে সারা দেশে বেসরকারি ব্যাংকগুলো থেকে ৭৮৩ কোটি টাকা টাকা কৃষি ও পল্লী ঋণ প্রদান করা হয়েছে।

মো. আব্দুল মতিনের এক প্রশ্নের জবাবে আবুল মাল আবদুল মুহিত বলেন, ২০১-১৮ অর্থবছরে রাজস্ব আদায়ের সংশোধিত লক্ষ্যমাত্রা দুই লাখ ২৫ হাজার কোটি টাকা এর মধ্যে ৯১ শতাংশ অর্জিত হয়েছে। চলতি অর্থবছরের রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা দুই লাখ ৯৬ হাজার ২০১ কোটি টাকা।

আরেক প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী জানান, বাংলাদেশ ইন্সটিটিউট অব ক্যাপিটাল মার্কেট (বিআইসিএম) চলতি বছরের আগস্ট পর্যন্ত সাত হাজার ৫৬৭ জন সাধারণ বিনিয়োগকারীদের প্রশিক্ষণ প্রদান করেছে। পুঁজিবাজারসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে এক হাজার ৫৮৮ জনের সার্টিফিকেট কোর্স সমাপ্ত করেছে এবং ২৬০ জনকে পোস্ট গ্র্যাজুয়েট ডিপ্লোমা ইন ক্যাপিটাল মার্কেট (পিজিডিসিএম) কোর্স পরিচালনা করেছে।

মন্ত্রী জানান, পুঁজিবাজারে ক্ষতিগ্রস্ত ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীদের স্বার্থরক্ষার্থে আইপিওতে ২০ শতাংশ কোটা প্রথা এবং বিনিয়োগকারীদের সহায়তার উদ্দেশ্যে ৯০০ কোটি টাকার ফান্ড গঠন করা হয়েছে।

আরেক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী জানান, কর্মসংস্থান ব্যাংকের শাখা স্থাপন করার জন্য সংশ্লিষ্ট এলাকার জনগণের কাছ থেকে আবদেন পাওয়া গেলে ব্যাংকের ব্যবসায়িক সম্ভাবনা পর্যালোচনাপূর্বক সংশ্লিষ্ট নীতিমালা অনুসরণ করে নতুন শাখা খোলার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। স্থানীয় জনগণের চাহিদা ও বাস্তবতা পর্যালোচনা করে নীতিমালা অনুসরণ করে সংশ্লিষ্ট উপজেলা সদরে পর্যায়ক্রমে কর্মসংস্থান ব্যাংকের শাখা খোলা হবে।
দুবাইয়ের কন্ডিশনও সাকিবদের প্রতিপক্ষ

দুবাইয়ের কন্ডিশনও সাকিবদের প্রতিপক্ষ


দুবাইয়ে কাল শ্রীলঙ্কার মুখোমুখি হয়ে এশিয়া কাপ অভিযান শুরু করবে বাংলাদেশ। দুবাইয়ের কন্ডিশন ম্যাচটা হবে যথেষ্ট কঠিন। গ্রুপপর্ব টপকাতে সেরা ক্রিকেট খেলতে হবে বলেই মনে করেন বাংলাদেশের অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান

আরব আমিরাতে ২৩ বছর পর ফিরছে এশিয়া কাপ। উপলক্ষটা স্মরণীয় করে রাখতে আনকোরা নতুন দুটি উইকেট বানানো হয়েছে দুবাই আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে। সেখানকার প্রধান কিউরেটর টম লুমসডেন জানিয়েছেন, নতুন দুটি উইকেট বানানো হয়েছে সামনের ব্যস্ত সূচি মাথায় রেখে যেখানে এশিয়া কাপও প্রাধান্য পাচ্ছে। কাল দুবাইয়ে বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কা ম্যাচটা হতে পারে পারে এই নতুন উইকেটেই।

মাশরাফি-ম্যাথুসদের মুখোমুখি হওয়ার মধ্য দিয়ে কাল শুরু হবে এশিয়া কাপ। শ্রীলঙ্কান সংবাদমাধ্যমকে লুমসডেন জানিয়েছেন, ‘এশিয়া কাপে বড় দলগুলোর কথা মাথায় রেখে আমরা মানসম্মত উইকেট বানানোর পরিকল্পনা করি। এখানে সাধারণত প্রথম ইনিংসে গড় স্কোর ২৬০। আশা করি আমরা এটি ২৭০-তে উন্নীত করতে পারব। তবে সেপ্টেম্বরের এই সময়ে সেটি করা কঠিন।’

সেপ্টেম্বরের এই সময়ে দুবাইয়ের কন্ডিশন উষ্ণ ও আর্দ্র। লুমসডেনের মতে, এশিয়া কাপের কন্ডিশন ঠিক করে দেবে দুবাইয়ের আবহাওয়া। দিনের বেলায় গরম, রাতে আর্দ্রতার সঙ্গে শিশিরও পরে। দুবাই স্টেডিয়ামের এই কিউরেটর জানালেন, ‘বিকালের দিকে কিছুটা পেসবান্ধব কন্ডিশন থাকবে। রাতে সুইং হতে পারে আর সন্ধ্যায় বল “গ্রিপ” করার সঙ্গে স্পিনও করবে।’

দুবাইয়ে সবার আগে পা রাখা দলটি বাংলাদেশ। শহরটির স্পোর্টস সিটিতে আইসিসি একাডেমিতে অনুশীলনের তাঁবু খাটিয়েছে মাশরাফি বিন মর্তুজার দল। এখানে অনুশীলন করার সময় বাংলাদেশের অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসানকে লঙ্কান সংবাদকর্মীরা প্রশ্ন করেছিলেন, এশিয়া কাপ জেতার স্বপ্ন দেখছেন কি না? সাকিবের জবাব দিয়েছেন কূটনৈতিক ঢংয়ে, ‘সফলতা পেতে হলে সবার আগে নিজেদের কাজগুলো ঠিক রাখতে হবে। তাই আমরা ট্রফি জয় নিয়ে ভাবার চেয়ে নিজেদের কাজগুলো নিয়েই বেশি মনোযোগী।’

গ্রুপপর্বেই কঠিন বাধা দেখছেন সাকিব। সেমিফাইনালে উঠতে যে সেরা ক্রিকেটই খেলতে হবে সে কথাও জানিয়ে রাখলেন তিনি, ‘আমরা আশাবাদী। ওয়েস্ট ইন্ডিজে ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি সিরিজ ভালো কেটেছে। গ্রুপের বাকি দুটি দল (শ্রীলঙ্কা ও আফগানিস্তান) ভালো ক্রিকেট খেলছে। বিশেষ করে ৫০ ওভারের সংস্করণে। গ্রুপপর্ব টপকাতে আমাদের তাই সেরা ক্রিকেটই খেলতে হবে।’

এই গ্রুপপর্বেই বাংলাদেশের প্রথম প্রতিপক্ষ শ্রীলঙ্কা। দলটিকে প্রাপ্য সম্মান দিয়েই হারানোর কৌশলটা বলে দিলেন এই তারকা অলরাউন্ডার, ‘শ্রীলঙ্কা খুব ভালো দল। ম্যাচ জেতানোর মতো তাঁদের বেশ কিছু খেলোয়াড় রয়েছে। তাই দু-একজন খেলোয়াড়ের ওপর আলাদা করে নজর রাখলে হবে না। এগারোজন খেলবে এবং তাঁদের সবার বিপক্ষেই আমাদের ভালো খেলতে হবে।’

কাল এই কৌশল মাঠে ফলানোর চ্যালেঞ্জ নিতে হবে সাকিবদের। দেখা যাক, শুভ সূচনা হয় কি না।
হারিকেন ফ্লোরেন্স: যুক্তরাষ্ট্রে বিদ্যুৎ সংযোগহীন দশ হাজার ঘরবাড়ি

হারিকেন ফ্লোরেন্স: যুক্তরাষ্ট্রে বিদ্যুৎ সংযোগহীন দশ হাজার ঘরবাড়ি


হারিকেন ফ্লোরেন্সের প্রভাবে যুক্তরাষ্ট্রের পূর্ব উপকূলের অনেক এলাকায় দমকা বাতাস ও বৃষ্টির পরিমাণ বাড়ছে। এরই মধ্যে প্রায় দশ হাজার ঘরবাড়ি বিদ্যুৎ সংযোগহীন হয়ে পড়েছে। এচাড়া প্রচণ্ড বাতাসে ছিটকে পড়েছে অসংখ্য বাড়ি।

মার্কিন আবহাওয়া অধিদপ্তর হারিকেনটির মাত্রা ১-এ নামিয়ে আনলেও প্রাণঘাতী এ ঝড় নর্থ ও সাউথ ক্যারোলাইনা এবং ভার্জেনিয়াকে লণ্ডভণ্ড করে দিতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

বিবিসি জানিয়েছে, এরই মধ্যে তিনটি রাজ্যের উপকূলরেখার ১০ লাখেরও বেশি বাসিন্দাকে বাড়িঘর ছেড়ে নিরাপদ আশ্রয়ে সরে যেতে নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

নর্থ ও সাউথ ক্যারোলাইনায় আছড়ে পড়ার পর ঝড়টি ঘণ্টায় ১৫০ কিলোমিটার বেগের বাতাস নিয়ে উপকূল থেকে ভেতরের দিকে অগ্রসর হতে পারে বলে কর্মকর্তারা সতর্ক করেছেন।

বৃহস্পতিবার মার্কিন পূর্ব উপকূলে দমকা বাতাসের ঝাপটা ক্রমাগতভাবে বেড়েছে। আবহাওয়া পরিস্থিতি খারাপ হতে শুরু করায় এরই মধ্যে এক লাখেরও বেশি বাড়িঘরের বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে।

ঝড়ের কারণে যে ভয়াবহ বন্যার আশঙ্কা করা হচ্ছে, তা ব্যাপক প্রাণহানি ঘটাতে পারে বলেও অনুমান জরুরি ব্যবস্থাপনা বিভাগের কর্মকর্তাদের।

বিভিন্ন ছবিতে আশ্রয়কেন্দ্রের বারান্দায় কম্বল, বাতাসে ফোলানো যায় এমন ম্যাট্রেস ও বিছানা নিয়ে মানুষজনকে ভিড় করতে দেখা গেছে।

নর্থ ক্যারোলাইনার কিছু এলাকায় কয়েক ঘণ্টায় এক ফুটের মতো বৃষ্টি রেকর্ড করা হয়েছে বলেও বিবিসি জানিয়েছে। সমুদ্রের পানির উচ্চতার সঙ্গে সঙ্গে উপকূলে আছড়ে পড়া ঢেউয়ের তীব্রতাও বাড়ছে।

বাতাসের বেগ আগের তুলনায় কিছুটা কমে যাওয়ায় বৃহস্পতিবার রাত ১১টার দিকে যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল হারিকেন সেন্টার ঘূর্ণিঝড় ফ্লোরেন্সের তীব্রতার মাত্রা ১-এ নামিয়ে আনলেও তুমুল বৃষ্টি ও ঝড়ের তীব্রতার কারণে ফ্লোরেন্স এখনও যথেষ্ট শক্তিশালী বলেও হুশিয়ার করেছে তারা।

বৃহস্পতিবার, সেপ্টেম্বর ১৩, ২০১৮

মোসাদ্দেক আলী ফালুর অবৈধ সম্পদ’ হস্তান্তরে সহযোগিতা,বাংলাদেশ ক্যন্সুলেট দুবাই ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের দুদকের তলব ।

মোসাদ্দেক আলী ফালুর অবৈধ সম্পদ’ হস্তান্তরে সহযোগিতা,বাংলাদেশ ক্যন্সুলেট দুবাই ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের দুদকের তলব ।

দেশের খবর নিউজ ডেস্কঃ

সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইয়ে বসে সম্পত্তি হস্তান্তরের জন্য আমমোক্তারনামা করেছেন সাবেক সাংসদ মোসাদ্দেক আলী ফালু। তাঁর এই কাজে সহায়তা করেছেন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একাধিক কর্মকর্তা। দুদক সূত্র জানিয়েছে, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের সম্পৃক্ততা বিষয়ে ইতিমধ্যে ব্যাখ্যা চেয়েছে তারা।

দুদকের উপপরিচালক (জনসংযোগ) প্রণব কুমার ভট্টাচার্য অনুসন্ধানের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

মোসাদ্দেক আলী ফালুর দুই আত্মীয়ের অনুকূলে রেজিস্ট্রি করা ওই আমমোক্তারনামা এখন দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) গোয়েন্দাদের হাতে। এসব তথ্য নিয়ে আজ মঙ্গলবার থেকে অনুসন্ধানে নেমেছে সংস্থাটি। সহকারী পরিচালক গুলশান আনোয়ার প্রধানকে অনুসন্ধানের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

সূত্র জানায়, মোসাদ্দেক আলী দুবাইয়ে অবস্থান করা অবস্থাতেই তাঁর বিপুল পরিমাণ সম্পত্তি তাঁর ভাইয়ের ছেলেদের নামে আমমোক্তারনামা (পাওয়ার অব অ্যাটর্নি) করে দিয়েছেন। মো. আশফাক উদ্দিন আহমেদ এবং রোজা প্রোপার্টিজের পক্ষে পরিচালক নাঈম উদ্দীন আহমেদ দলিল গ্রহীতা হিসেবে ওই সম্পদের আমমোক্তার।

রাজধানীর তেজগাঁও, ধানমন্ডি, উত্তরা ও গুলশান সাবরেজিস্ট্রার কার্যালয়ে এসব অপ্রত্যাহারযোগ্য আমমোক্তারনামা দলিল করা হয়। 

যেসব সম্পদের আমমোক্তারনামা করা হয় তার মধ্যে রয়েছে তেজগাঁও শিল্প এলাকা মৌজায় অবস্থিত রোজাগ্রীণ নামের প্রকল্পে অচিহ্নিতভাবে বাড়ি ৪১৫ দশমিক .৮৩৩ অজুতাংশ । পাঁচটি ফ্ল্যাট ও পাঁচটি কার পার্কিংয়ের মোট আয়তন ৯ হাজার ৬৫১ দশমিক ৫৫ বর্গফুট এবং একই মৌজার ৬৬০ অজুতাংশ বাড়ি ভূমি ও ওই ভূমির ওপর নির্মিত ভবন। উত্তর খান মৌজার ৩৪ শতাংশ ভিটা ভূমি এবং সেখানে নির্মিত কাঁচা পাকা ৬৪টি দোকান এবং জোয়ার সাহারা মৌজার স্থাপনা ২৪৭ দশমিক ৫০ অজুতাংশ ভিটা ভূমি।

অভিযোগে বলা হয়, মোসাদ্দেক আলী তাঁর অর্জিত সম্পদ রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্ত হওয়ার হাত থেকে রক্ষা করতে আত্মীয়দের নামে হস্তান্তর করছেন। ওই আমমোক্তারনামা করতে তাঁকে সহায়তা করেছেন দুবাইয়ে বাংলাদেশ কনস্যুলেটের ভাইস কনস্যুলার মো. মেহেদুল ইসলাম এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সহকারী সচিব মাসুদ পারভেজ। আরও অভিযোগ করা হয়, সরকারি কর্মকর্তাদের সহায়তায় দুবাইয়ে বসে করা আমমোক্তারনামা ঢাকায় রেজিস্ট্রি করা হয়। সরকারি কর্মকর্তারা অনৈতিক সুবিধা নিয়ে ফালুকে সহায়তা করেছেন বলে অভিযোগে বলা হয়।

নথিপত্র পর্যালোচনা করে দুদক দেখেছে, ফালুর এসব কর্মকাণ্ডে সাক্ষী হিসেবে সহায়তা করেছেন মো.নূরুদ্দিন আহমেদ, মো. আশরাফুল হক ও বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মো. মাহতাব উদ্দিন। দলিল সম্পাদনে শনাক্তকারী হিসেবে ছিলেন মো. শাহাব উদ্দিন, এন টিভির আমিরাত প্রতিনিধি মোহাম্মদ শিবলী আল সাদিক ও মুহিবুল করিম আশিক।

এছাড়াও সরকার আমিরাতের বাংলাদেশ দুতাবাস ও ক্যন্সুলেটের বিভিন্ন কর্মকর্তারা সম্পকে খোজখবর নেওয়া শুরু করেছে ইতিমধ্যে।

মঙ্গলবার, সেপ্টেম্বর ১১, ২০১৮

প্রযুক্তির নামে তরুণদের বিপদগামী করছেন যারা!

প্রযুক্তির নামে তরুণদের বিপদগামী করছেন যারা!


আজকের দিনে তরুণ সমাজকে ধ্বংস করার উদ্দেশ্যে প্রচারিত হচ্ছে কত রকম বিজ্ঞাপন। যেখানে বলা হচ্ছে, সারা রাত কথা বলো। যত রাত হবে, কলরেট তত কম। কিন্তু সারা রাত গল্প করলে একজন ছাত্র বা ছাত্রী পড়বে কখন? ঘুমাবে কখন? সে কি ঘুমাতে ঘুমাতে ক্লাসে যাবে?

দেশে একজন সচেতন ব্যক্তিও কি নেই যিনি বলবেন, তরুণ সমাজের কল্যাণার্থে এসব বিজ্ঞাপন প্রচার করা যাবে না। এসব বন্ধ করো। এক অর্থে বলা যায়, প্রযুক্তির মাধ্যমে তরুণ প্রজন্মের মস্তিস্ক ধ্বংশ করা হচ্ছে। তরুণ প্রজন্মকে রক্ষা করার জন্য সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে। সচেতনতা বাড়াতে হবে সবার মধ্যে।

বিজ্ঞাপনে আরও বলে, ফেয়ার অ্যান্ড লাভলি মাখো, তোমার ঔজ্জ্বল্য এত বাড়বে যে, সবাই তোমার দিকে তাকিয়ে থাকবে। এটা পুরোপুরি অবৈজ্ঞানিক ও বর্ণবিদ্বেষী একটা কথা। শ্যামবর্ণ হলে যে তাকে সুন্দর লাগবে না, তা কে বলল? মনের সৌন্দর্যটাই আসল।

ইসলামে কোনো বর্ণবিদ্বেষ নেই। নবীজী সা. বেলাল রা-এর সঙ্গে মানবিক ব্যবহার করে দেখিয়ে দিয়েছেন, একজন ক্রীতদাস হলেও তার সঙ্গে কেমন ব্যবহার করতে হবে।

এ যুগের আরও ভয়াবহ জিনিস হচ্ছে মাদক ও পর্নোগ্রাফি। তরুণ সমাজকে এসবে আসক্ত করার জন্যে কৌশলে প্রচারণা চলছে। অসাধু ব্যবসায়ীরা এরকম কাজ করেছে। বিভিন্ন ওয়েবসাইটে আমাদের বাচ্চারা হরদম ঘোরাফেরা করছে।

অভিভাবকরা সময় থাকতে সাবধান হোন, খোঁজ রাখুন আপনার সন্তান কী কী ওয়েবসাইট ভিজিট করে। কৌশলে জানতে হবে তারা কোন ধরনের সাইট ব্যবহার করছেন। এ দিকে অভিভাবকের সচেতন হতে হবে।

হুমকির মুখে তরুণ প্রজন্মের মস্তিষ্ক-

১৯৮১ সালে কানাডার ক্যালগেরিতে একটা কনফারেন্সে গিয়েছি। ওখানে আমার এক ব্রিটিশ বন্ধুর সঙ্গে বসে গল্প করছি। এসময় ওখানে একটা ছেলে এলো। অধ্যাপক বন্ধু বলল, তোমাকে একটা মজা দেখাই।

সে ওই ছেলেকে জিজ্ঞেস করল, এককে দুই দিয়ে ভাগ করলে কত হয়? ছেলেটি বলল, খুব সহজ। বলেই সে পকেট থেকে ক্যালকুলেটর বের করল। অর্থাৎ এককে দুই ভাগ করলে যে শূন্য দশমিক পাঁচ হয়, এটা ক্যালকুলেটর ছাড়া বলতে পারছে না!

অনেকে বলেন মানুষের সর্বোচ্চ চ্যালেঞ্জ মহাকাশে যাওয়া, কোটি কোটি মাইল দূরের নক্ষত্রে পৌঁছানো। আমি বলি, সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ মানুষ নিজে।

আল্লাহ মস্তিষ্কের মতো এত রহস্যময় ও সম্পদশালী আর কিছু তৈরি করেননি, যা আমরা নষ্ট করছি মাত্রাতিরিক্ত প্রযুক্তিনির্ভর হয়ে। কারণ আমরা চিন্তা করছি না।

মস্তিষ্ক ব্যবহার না করার ফলে কমে যাচ্ছে আমাদের ইন্টেলেকচুয়াল ক্যাপাবিলিটি। সাধারণ যোগ-বিয়োগে এখন আমাদের যন্ত্রের সাহায্য লাগে।

আজকে ফেসবুকের উদ্যোক্তারা আফসোস করছেন, আমরা শিশুদের মস্তিষ্কের অনেক বড় ক্ষতি করে ফেলেছি। বিল গেটস সন্তানদের কম্পিউটারে আসক্ত হতে দেন নি। নিজের সন্তানকে না দিয়ে সারা পৃথিবীর ছেলেমেয়েদের আসক্ত হওয়ার জন্যে ছেড়ে দিয়েছেন।

মায়েদের নিতে হবে চালিকাশক্তির ভূমিকা-

নারীদের প্রচণ্ড একটা শক্তি রয়েছে, তা হলো মমতার শক্তি। তাই মায়েদের অনুরোধ করি, আপনারা এই শক্তিকে প্রয়োগ করুন, ব্যবহার করুন। স্মার্টফোন, ফেসবুক, ইউটিউব, ভিডিও গেম-কত নাম বলব!

এসব ভার্চুয়াল ভাইরাস থেকে সন্তানদের বাঁচান। দৃঢ় সিদ্ধান্ত নিন, ১৮ বছর বয়সের আগে সন্তানকে কোনোভাবেই স্মার্টফোন দেবেন না। তাদের মমতা দিয়ে বোঝান। একটা পরিবার হলো রাষ্ট্রের একক। এখানে মায়েদের আধুনিক চালিকাশক্তির ভূমিকা পালন করতে হবে।

প্রযুক্তি হোক স্রষ্টার মহিমা উপলব্ধির মাধ্যম-

ছোটবেলায় মনে প্রশ্ন জাগত, সারা জীবনের আমলনামা কেয়ামতের দিন এক হাতে কীভাবে আসবে? এই যে এত জায়গায় ঘুরছি, এত কথা বলছি। এত তথ্য এক হাতে কীভাবে ধরবে? পৃথিবীতে মাইক্রোইলেকট্রনিকস বিপ্লবের পর এটা বোঝা গেল। সেটা কেমন?

প্রথমে কম্পিউটার ছিল বিশাল হলরুম জুড়ে। এরপর ডেস্কটপ, ল্যাপটপ হয়ে কম্পিউটার এখন মানুষের হাতের তালুতে চলে এসেছে। এত ছোট!

ধরা যাক, একজন মানুষ ৭০ বছর বাঁচল। প্রতিদিন ১০ হাজার করে সে যে আড়াই কোটি বাক্য বলেছে, এর চেয়েও কয়েকগুণ বেশি তথ্য একটা এক সেন্টিমিটার মাইক্রো প্রসেসরে সংরক্ষণ করা সম্ভব।

এটা থেকে বুঝলাম এক হাতে আমলনামা কীভাবে আল্লাহ দেবেন। অর্থাৎ এর মধ্য দিয়ে যে কোরআনের বাণীই প্রমাণ হলো এটা কেউ বলে না।

রমজান হোক পরিবারে কোরআন চর্চার মাস-

পরিবারে সবাই মিলেই ধর্মাচার অনুসরণ করা জরুরি। কোরআন পুরো সৃষ্টির জন্যে রহমতস্বরূপ ও সংবিধান। রমজানে সপরিবারে প্রতিদিন অল্প সময়ের জন্যে হলেও কোরআনের চর্চা করুন।

ছেলেমেয়েরা কোরআন থেকে জানবে যে, বাবা-মা বৃদ্ধ হলে তাদের সেবা করতে হবে, বিরক্ত হওয়া যাবে না, ‘উহ্’ শব্দটিও বলা যাবে না। তখন তারা উপলব্ধি করবে কত জিনিস খেয়াল রাখতে হবে।

বাবা-মাও জানবেন নিজেদের দায়িত্ব সম্পর্কে। সন্তান জন্মদানের পর দুই বছর বুকের দুধ খাওয়াতে হবে। বৈজ্ঞানিক গবেষণা বলছে, মায়ের বুকের দুধ খাওয়ানোর সময় মায়ের সঙ্গে সন্তানের আত্মিক সম্পর্ক গড়ে ওঠে, এতে তার মধ্যে নিরাপত্তাবোধ তৈরি হয়। এরকম শিশু ধ্বংসাত্মক হয় না।

সব মানুষই শান্তি চায় কিন্তু শুধু নিজের জন্যে কাজ করলে শান্তি আসে না। অন্যের জন্যে কাজ করলেই তা পাওয়া যাবে। আর সময় সম্পর্কে সচেতন হতে হবে। কেউ জানে না জমিনের ওপরে তার জন্যে সময় কতটুকু আছে। তাই কাজ করতে হবে একাগ্রচিত্তে।

হৃদয় থাকবে স্রষ্টার দিকে ধাবিত। আর হাত থাকবে কাজের দিকে ধাবিত। এই রমজানে প্রযুক্তিকে শুধু প্রয়োজনে ব্যবহার করুন এবং অন্যদেরও এ সম্পর্কে সচেতন করুন।

 ***তাওহীদ হোসেন।