Previous
Next

সর্বশেষ


বুধবার, অক্টোবর ১১, ২০১৭

আর্জেন্টিনার সব শঙ্কা উড়িয়ে দিয়ে বিশ্বকাপ নিশ্চিত করল আর্জেন্টিনা।

আর্জেন্টিনার সব শঙ্কা উড়িয়ে দিয়ে বিশ্বকাপ নিশ্চিত করল আর্জেন্টিনা।

আর্জেন্টিনার দুর্যোগের আকাশে সব শঙ্কা উড়িয়ে দিয়ে ত্রাণকর্তা হয়ে এল মেসি।
বিশ্বকাপ বাছাইপর্বে টালমাটাল আর্জেন্টিনার সরাসরি বিশ্বকাপ খেলা নিয়ে ছিল সংশয়, শেষ ম্যাচের আগে অনেক সমীকরণ নিয়ে মাঠে নামে আর্জেন্টিনা।
কয়জনই ভেবেছিল যে আর্জেন্টিনা এমন দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তন করবে, না করার অবশ্য কারণ ছিল। কেননা ইকুয়েডরের মাঠ কিটো ছিল সমুদ্রপৃস্ট থেকে সাড়ে নয় হাজার ফুট উপরে, এই মাঠে আর্জেন্টিনার জয়খরা ছিল ১৬ বছর।
সব সমীকরণ নিয়ে মাঠে কিটোয় ইকুয়েডরের মুখোমুখি হয় আর্জেন্টিনা, কিছু বুঝে ওঠার আগে ১মিনিটে গোল খেয়ে পিছিয়ে পড়ে আর্জেন্টিনা। ১২ মিনিটে ত্রাণকর্তা হয়ে এল মেসি, মেসির গোলে সমতায় ফিরে আর্জেন্টিনা। ৮ মিনিট পর আবারও মেসি যাদু। ২-১ গোলে বিরতিতে যায় আলবিসেলেস্তারা।
বিরতি থেকে ফিরে ৬২ মিনিটে হ্যাট্রিক করেন মেসি। শেষ পর্যন্ত ৩-১ গোলের জয় নিয়ে রাশিয়া বিশ্বকাপ নিশ্চিত করল আর্জেন্টিনা।
দুবাইয়ে টেসলা

দুবাইয়ে টেসলা


দুবাইয়ে টেসলায় চড়তে পারছেন উবার গ্রাহকরা


‘জাইটেক্স টেকনোলজি উইক ২০১৭’

‘জাইটেক্স টেকনোলজি উইক ২০১৭’

মধ্যপ্রাচ্য ও আফ্রিকার সর্ববৃহৎ তথ্যপ্রযুক্তি মেলা ‘জাইটেক্স টেকনোলজি উইক ২০১৭’রবিবার থেকে শুরু হয়েছে। 
দুবাই ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারের উদ্যোগে দুবাই ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন অ্যান্ড এক্সিবিশন সেন্টারে পাঁচ দিনব্যাপী এ মেলা চলবে ১২ অক্টোবর পর্যন্ত। 
 
রফতানি উন্নয়ন ব্যুরোর সহযোগিতায় বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সফটওয়্যার অ্যান্ড ইনফরমেশন সার্ভিসেস (বেসিস) প্রতিবারের মত মেলায় অংশগ্রহণ করছে। বেসিসের চারটি সদস্য কোম্পানি এই মেলায় অংশ নিয়েছে। 

অংশগ্রহণকারী কোম্পানিগুলো হলো- রিভ সিস্টেমস লিমিটেড, রিকারশন টেকনোলজিস লিমিটেড, সুপারটেল লিমিটেড ও বিজমোশন লিমিটেড। এ সব প্রতিষ্ঠান তাদের স্টলে অংশগ্রহণকারীদের সামনে বিভিন্ন পণ্য ও সেবা তুলে ধরছেন।  
এ প্রসঙ্গে বেসিস সভাপতি মোস্তাফা জব্বার বলেন, বাংলাদেশের জন্য মধ্যপ্রাচ্য ও ইউরোপের বিশাল বাজার ধরা গুরুত্বপূর্ণ। সেই লক্ষ্য নিয়েই প্রায় এক দশক ধরে আমরা জাইটেক্স প্রযুক্তি মেলায় অংশগ্রহণ করে আসছি। এবারের মেলায়ও বাংলাদেশি কোম্পানিগুলো অংশগ্রহণকারী বিদেশি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে পরিচিত হওয়ার এবং তাদের পণ্য ও সেবা সম্পর্কে জানানোর সুযোগ পাবেন। আশা করি, এর মাধ্যমে বিদেশি কোম্পানিগুলোর সঙ্গে কাজের ক্ষেত্র তৈরি হবে ও তথ্যপ্রযুক্তি খাত থেকে রফতানি আয় বাড়বে। 

বুধবার, সেপ্টেম্বর ১৩, ২০১৭

সিঙ্গাপুরে প্রথমবারের মতো মুসলিম নারী প্রেসিডেন্ট

সিঙ্গাপুরে প্রথমবারের মতো মুসলিম নারী প্রেসিডেন্ট


হালিমা ইয়াকুব মালয় সম্প্রদায়ের ৬২ বছর বয়স্ক এই নারী দেশটির পার্লামেন্টের স্পিকার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
বুধবার দেশটির প্রধান নির্বাচনী কর্মকর্তা জানান, প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে হালিমাই একমাত্র বৈধ প্রার্থী। সব প্রার্থী নির্বাচনে অযোগ্য ঘোষিত হওয়ায় হালিমা ইয়াকুবই বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় দেশটির প্রথম নারী প্রেসিডেন্ট হচ্ছেন। ২৩ সেপ্টেম্বর দেশটিতে প্রেসিডেন্ট নির্বাচন হওয়ার কথা রয়েছে। সিঙ্গাপুরের অষ্টম এবং প্রথম নারী প্রেসিডেন্ট হতে যাচ্ছেন হালিমা।

১৯৫৪ সালের ২৩ আগস্ট কুইন স্ট্রিটে জন্ম নেওয়া হালিমা সিঙ্গাপুরের অষ্টম প্রেসিডেন্ট হিসেবে বৃহস্পতিবার দায়িত্ব নেবেন। পরিবারের পাঁচ সন্তানের সবচেয়ে ছোট হালিমা ১৯৬২ সালে আট বছর বয়সে বাবাকে হারান। আর্থিক অবস্থা খারাপ থাকায় তাঁর মা হকার লাইসেন্স নিয়ে রাস্তার পাশে একটি খাবারের দোকান দিয়েছিলেন। সেখানে হালিমা তাঁর মাকে দোকান পরিষ্কার, বাসনপত্র ধোয়া, টেবিল পরিষ্কার, ক্রেতাদের খাবার পরিবেশন প্রভৃতি কাজে সাহায্য করতেন।

২০১১ সালে হালিমা সামাজিক উন্নয়ন, যুব ও খেলাধুলা মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী নিযুক্ত হন। এর দুই বছর বাদে তিনি দেশটির সংসদে প্রথম নারী স্পিকার নিযুক্ত হন।

১৯৬০-এর শেষের দিকে হালিমা সিঙ্গাপুর চায়নিজ গার্লস স্কুলে ভর্তি হন। ১৯৭০ সালে তিনি তানজং ক্যানটং গার্লস স্কুলে এবং পরে সিঙ্গাপুর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আইনে স্নাতক ডিগ্রি নেন। ১৯৭৮ সালে তিনি ন্যাশনাল ট্রেডস ইউনিয়ন কংগ্রেসে (এনটিইউসি) একজন আইন কর্মকর্তা হিসেবে যোগদান করেন। তিনি সেখানে ৩০ বছর কর্মরত ছিলেন। হয়েছিলেন ডেপুটি সেক্রেটারি জেনারেল। ১৯৮০ সালে তিনি তাঁর বিশ্ববিদ্যালয়ের বন্ধু ও ব্যবসায়ী মোহাম্মদ আবদুল্লাহ আল হাবসিকে বিয়ে করেন। তাঁদের সংসারে পাঁচ ছেলেমেয়ে রয়েছে।

সিঙ্গাপুরে প্রেসিডেন্ট প্রধানত একটি আনুষ্ঠানিক পদ; দেশটির নির্বাহী ক্ষমতা প্রধানমন্ত্রীর হাতে। তথ্যসূত্র: বিবিসি ও এএফপি

মঙ্গলবার, সেপ্টেম্বর ১২, ২০১৭

সবচেয়ে প্রভাবশালী রোহিঙ্গা পরিবারটি এখন পথের ফকির

সবচেয়ে প্রভাবশালী রোহিঙ্গা পরিবারটি এখন পথের ফকির

 মিয়ানমার সেনাবাহিনীর অত্যাচার-নির্যাতনের মুখে সব দোকান, বাড়িসহ সহায় সম্পত্তি ফেলে চলে আসেন বাংলাদেশে। ১৫ দিনে দীর্ঘ পথ পাড়ি দিয়ে অনেক কষ্টে নাফ নদ ও কাঁটাতারের সীমারেখা পার হতে হয় তাদের। তবে তারা আসার পরপরই জানতে পেরেছেন, দোকান পাট ও বাড়িঘর জালিয়ে দেওয়া হয়েছে। গত দুই দিন হলো লাম্বাবিল হয়ে কুতুপালং এসে তার আশ্রয় জুটেছে খোলা আকাশের নিচে। এখনো কোনো তাঁবু পাননি। মেলেনি কোনো ত্রাণও।
কুতুপালং সড়কের কাছে একটি নালার কিনারে কচু বাগানে বসে থাকতে দেখা যায় তাকে। অবাক দৃষ্টিতে তাকিয়ে রয়েছেন অজানা, অচেনা পথের দিকে। সবকিছুই তার কাছে অপরিচিত। তার কোলজুড়ে ৩ মাসের একটি বাচ্চাকেও কান্না করতে দেখা যায়। গতকাল দুপুরে যখন খালেদা বেগমের সঙ্গে কথা হয় তখন তিনি ছিলেন ক্ষুধার্ত। কিন্তু চেহারায় ছিল আভিজাত্যের ছাপ। ডান হাতে ছিল একটি গোল্ডেন রঙের ঘড়ি। পরনের পোশাকও ছিল অনেকটা মার্জিত। কিন্তু লজ্জায় ত্রাণের জন্য হাত পাততে পারছিলেন না।
তিনি জানান, বাংলাদেশে আসার পথে দুই লাখ মিয়ানমারের মুদ্রা কিয়াট নিয়ে আসলেও দালালদের খপ্পরে পড়ে আড়াই হাজার টাকায় তা বিক্রি করে দেন। গত দুই দিন কষ্ট করে এই টাকা দিয়ে পানি আর শুকনো কিছু খাবার কিনে বাচ্চাদের কোনোমতে খাওয়ান। কিন্তু পরিবারের অন্য সদস্যরাও না খেয়ে পথেই বসে রয়েছেন।
খালেদা খানম বলেন, টম বাজার এলাকায় তারা ছিলেন রাজার হালে। কোনো কিছুর অভাব ছিল না। তাদের প্রায় ১২ একর জমি ছিল। ত্রিশটির মতো গরু ছিল। দোকান পাট ছাড়াও আরও কিছু সম্পদ ছিল। সব মিলিয়ে হবে কোটি টাকার। এখন কার কাছে যাব, কি করব কিছুই দিশা পাচ্ছেন না তিনি। যৌথ পরিবারের সদস্য আলেয়া বেগমের কোলেও দেখা যায় এক ছোট্ট শিশু।
তিনি জানান, তার হাতে খাবার জন্য একটি টাকাও নেই। এখন চেয়ে খেতে হবে। এই বলে কান্নায় ভেঙে পড়েন তিনি। ওই পরিবারের পুরুষ সদস্য আবদুল হামিদ ও মৌলভি মাইনুদ্দিন জানান, তাদের পরিবারটি অনেক বড়। ৩০ সদস্যের সবাই বাংলাদেশে কষ্ট করে আসতে পারলেও সব সহায় সম্পত্তি ফেলে আসতে হয়েছে। এখন তারা শূন্য হাতে।
১৪ মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ প্রবাসী আয়

১৪ মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ প্রবাসী আয়

পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে প্রবাসী বাংলাদেশিরা বেশি পরিমাণের রেমিট্যান্স দেশে পাঠিয়েছে। এতে গত আগস্ট মাসে প্রায় ১৪২ কোটি মার্কিন ডলারের সমপরিমাণ অর্থ ব্যাংকগুলো আহরণ করেছে, যা বিগত ১৪ মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ। এর আগে ২০১৬ সালের জুন মাসে ১৪৬ কোটি মার্কিন ডলারের রেমিট্যান্স এসেছিল। বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ তথ্যে এ চিত্র পাওয়া গেছে। 

বিগত কয়েক বছর ধরে প্রবাসী আয়ে ভাটা চলছে। গত অর্থবছরেও সাড়ে ১৪ শতাংশ রেমিট্যান্স প্রবাহ কমেছে। ধারাবাহিকভাবে প্রবাসী আয় কমায় উদ্বিগ্ন সরকার ও বাংলাদেশ ব্যাংক। এ প্রেক্ষাপটে ব্যাংকিং চ্যানেলে প্রবাসী আয় বাড়াতে নানামুখী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। বিশেষ করে মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যম ব্যবহার করে হুন্ডি প্রতিরোধে সোচ্চার অবস্থান নিয়েছে সরকার। এরই একটা ইতিবাচক ফল পাওয়া গেল আগস্ট মাসে। যদিও বিশেষজ্ঞরা একটি মাসের হিসাব দিয়ে এখনই চিত্র পাল্টেছে, সে কথা বলতে নারাজ। বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিবেদনে দেখা যায়, চলতি অর্থবছরে দ্বিতীয় মাস আগস্টে ব্যাংকিং চ্যানেলে ১৪১ কোটি ৮৫ লাখ ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়েছে বিদেশে কর্মরত বাংলাদেশি প্রবাসীরা, গত অর্থবছরের একই মাসে যা ছিল ১১৮ কোটি ডলার। 

আলোচ্য সময়ে রেমিট্যান্স প্রবাহ বেড়েছে সাড়ে ১৯ শতাংশ। চলতি  অর্থবছরে দুই মাসে (জুলাই-আগস্ট) রেমিট্যান্স এসেছে ২৫৩ কোটি ডলার। আগের অর্থ বছরের দুই মাসে আসে ২১৯ কোটি ডলার। এই হিসাবে রেমিট্যান্স বেড়েছে সাড়ে ১৫ শতাংশ। উল্লেখ্য, গত ২০১৪-১৫ অর্থবছরে রেকর্ড পরিমাণ দেড় হাজার কোটি ডলার রেমিট্যান্স আসে। এরপর প্রতিবছরই রেমিট্যান্স কমেছে। ২০১৫-১৬ অর্থবছরে আড়াই শতাংশ কমে রেমিট্যান্স আসে ১ হাজার ৪৯৩ কোটি ডলার। গত অর্থবছরে তা সাড়ে ১৪ শতাংশ কমে আসে ১ হাজার ২৭৭ কোটি ডলার। রেমিট্যান্সের উত্স দেশগুলোতে অর্থনৈতিক মন্দা এবং মোবাইল ব্যাংকিংসহ অন্যান্য মাধ্যমে হুন্ডি প্রবণতা বৃদ্ধি পাওয়ায় বৈধ পথে দীর্ঘদিন ধরে রেমিট্যান্স কম আসছে বলে সরেজমিনে তদন্তে প্রমাণ পেয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। বাংলাদেশ ব্যাংকের হিসাব অনুযায়ী, আগস্ট মাসেও বরাবরের মতো সর্বোচ্চ পরিমাণ প্রবাসী আয় দেশে এনেছে ইসলামী ব্যাংক। এককভাবে ব্যাংকটির মাধ্যমে ৩০ কোটি ডলারের প্রবাসী আয় এসেছে। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ১৩ কোটি ডলারের প্রবাসী আয় এসেছে রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন অগ্রণী ব্যাংকের মাধ্যমে। আর তৃতীয় সর্বাধিক প্রায় ১১ কোটি ডলার এনেছে রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন সোনালী ব্যাংক। প্রবাসী আয় আনার ক্ষেত্রে চতুর্থ স্থানে রয়েছে জনতা ব্যাংক। আগস্ট মাসের মোট প্রবাসী আয়ের মধ্যে বেসরকারি ৩৯টি বাণিজ্যিক ব্যাংকের মাধ্যমে এসেছে প্রায় ১০০ কোটি ডলার। রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন ছয় বাণিজ্যিক ব্যাংকের মাধ্যমে এসেছে ৩৯ কোটি ৫১ লাখ ডলার। বিশেষায়িত দুই ব্যাংকের মাধ্যমে এসেছে ১ কোটি ডলার, আর বিদেশি মালিকানাধীন ৯টি ব্যাংকের মাধ্যমে এসেছে ১ কোটি ২৮ লাখ ডলার।
বাংলাদেশের মাথাপিছু জিডিপি পাকিস্তানের চেয়ে বেশি

বাংলাদেশের মাথাপিছু জিডিপি পাকিস্তানের চেয়ে বেশি

বাংলাদেশের মাথাপিছু মোট দেশজ উৎপাদন বা জিডিপি পাকিস্তানের চেয়ে বেশি বলে জানিয়েছে লন্ডনভিত্তিক পত্রিকা দ্য ইকোনমিস্ট। বৃহস্পতিবার তাদের সর্বশেষ রিপোর্টে বলা হয়, ১৯৭১ সালে স্বাধীনতার সময় বাংলাদেশ জিডিপি পাকিস্তানের চেয়ে বেশি অনেক কম ছিল।
ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, বাজার বিনিময় হার হিসেবে ডলার মূল্যমানের দিক দিয়ে গত অর্থবছরের (গত জুনের ৩০ তারিখে শেষ হওয়া) হিসাব অনুযায়ী বর্তমানে বাংলাদেশের মাথাপিছু জিডিপি ১৫৩৮ মার্কিন ডলার। যেখানে একই সময়ে পাকিস্তানের জিপিডি ১৪৭০ মার্কিন ডলার।
এদিকে গত ২৫ আগস্ট পাকিস্তান তার সর্বশেষ শুমারির প্রতিবেদন প্রকাশ করে। এতে বলা হয়, দেশটির জনসংখ্যা বর্তমানে ২০ কোটি ৭৮ লাখের মতো। যা আগের শুমারির চেয়ে ৯০ লাখ বেশি। এছাড়া এ জনসংখ্যা পৃথিবীর পঞ্চম বৃহত্তম।
অন্যদিকে, বাংলাদেশের ব্যাপক অর্থনিতিক উন্নয়ন হয়েছে বলে দ্য ইকোনমিস্টের রিপোর্টে বলা হয়েছে। গত দশ বছরে বার্ষিক প্রবৃদ্ধি গড় ৬ শতাংশ ছিল আর শেষ দুই বছরে তা বৃদ্ধি পেয়ে ৭ শতাংশে পৌঁছেছে। ৭১ সালে দেশের জন্মলগ্নে জিডিপিতে শিল্পায়নের অবদান ছিল মাত্র ৬-৭ শতাংশ। বর্তমানে বাংলাদেশের জিডিপিতে শিল্পায়নের অবদান ২৯ শতাংশ। প্রসঙ্গত, একটা সময় তৈরি পোশাক শিল্পে সংকট দেখা দিলেও এখন ভালো অবস্থান তৈরি করেছে বাংলাদেশ।
Source : https://www.economist.com/news/asia/21728658-market-exchanges-rates-least-bangladeshs-gdp-person-now-higher-pakistans