Previous
Next

সর্বশেষ


বৃহস্পতিবার, জুন ২২, ২০১৭

আমিরাতে চাঁদ দেখা কমিটি গঠন

আমিরাতে চাঁদ দেখা কমিটি গঠন

আমিরাতের জাস্টিস মিনিস্টার সুলতান বিন সাইদ আল বাদি, এক সভায় আগামী ঈদ আল ফিতর এর চাঁদ দেখার জন্য একটি কমিটি গঠন করে দিয়েছে। এই কমিটি ২৯ রমজানের মাগরিবের পর চাঁদ পর্যবেক্ষণ করবে এবং তা সরকারকে জানাবে। 
জাস্টিস মিনিস্টারের সভাপতিত্বে সভায় উপস্থিত ছিলেন ইউএই ফেডারেল সুপ্রিম কোর্ট এর সভাপতি মোহাম্মদ বিন হামাদ আল বাদি এবং অন্য কর্ম কর্তারা। আমিরাতের সকল শরিয়া কোর্টকে সারা দেশে চাঁদ পর্যবেক্ষণ করে সে ব্যাপারে কমিটিকে জানাতে বলা হয়েছে।
ডিজিটাল সরকারের এনালগ বিমানের দায়ভার কে নিবে?

ডিজিটাল সরকারের এনালগ বিমানের দায়ভার কে নিবে?

মোহাম্মদ আবু মুছা ঃ
বিমান যাত্রীদের ভোগান্তির শেষ কোথায়? গত ২১জুন রাত ১১:৩০ মিনিটে আবুধাবী হতে BG028 বিমান উড়াল দেবার কথা। সব যাত্রীরা এসে বিমান বন্দরে ভীড় করলেও ঢাকা হতে আসেনি বিমান, রাত একটায় এক কর্মকর্তা এসে অপেক্ষমাণ যাত্রীদের বললেন। বিমান আসেনি কাল তিনটায় শিডিউল হয়েছে আপনারা কাল দুপুরে আসেন। আজ দুপুরে যাত্রীরা আবার বিমান বন্দরে আসলে জানানো হলো রাত ১০:৪৫ মিনিটে এই ফ্লাইটের পুনরায় সময় নির্ধারণ করা হয়েছে।

ভোগান্তির শেষ কোথায়? কে দিবে এ সব প্রশ্নের উত্তর? দায়সারভাবে চলছে সব কিছু। শতবার লিখেও কোন কাজ হয় না এমন নির্লজ্জ আচরণের। ঈদে ঘরমূখো যাত্রীদের বিশেষ করে পরিবার নিয়ে যাদেরকে দুইবার বিমান বন্দরে আসার পর ও তৃতীয়বারের মত শিডিউল দেওয়া হয় তখন দুর্ভোগটা সহজেই অনুমেয়। এই যাত্রীদের মধ্যে অনেকে আছেন যারা সারাটা বছর অপেক্ষা করে ঈদের ছুটি দেশে কাটাবে, আছে প্রবাসী হওয়ার পর একবার ও করা হয়নি স্বদেশে ঈদ। মানবিক দিক বিবেচনা করলে সহজে বুঝা যায় তাদের মনের অবস্হা।

পৃথিবীর কোন এয়ারলাইন্সে এমন শিডিউল বিপর্যয় আছে কিনা জানা নাই। এই সমস্যা গুলো আজ একদিনের নয়, দীর্ঘদিনের। অনেক মন্ত্রী অনেক কর্মকর্তা আসলেন, গেলেন তারপরও ব্যবস্হাপনার কোন পরিবর্তন হলো না। আমরা বিভিন্ন সভা সমাবেশে বলি দেশের পতাকাবাহী বিমানে ভ্রমন করুন,বৈধ চ্যনেলে টাকা পাঠান। তাই বিমান বা ব্যাংক এর ঝামেলা হলেই ফোন আসে আর নিজেদের অসহায়ত্ব তুলে ধরে। তখন নিজেদের অপরাধী মনে হয়। সংযুক্ত আরব আমিরাতের এরিয়া ম্যনেজার এর কাছে সুনির্দিষ্ট প্রশ্ন হলো, আপনার অফিসে কি নেট ছিলো না,আপনার অপারেটং সিস্টেম কি এনালগ? এদেশে এনালগতো প্রশ্নই আসে না, তাহলে কেনো এমন ভোগান্তিতে ফেললেন? এদেশে দশ দিরহাম দিয়ে ১০০ এমবি ইন্টারনেট পাওয়া যায়।

এক মিনিটে সবগুলো যাত্রীকে টেক্সক্ট দেওয়া যায়, ফ্লাইট শিডিউল পরিবর্তন এর সংবাদ,আপনি কেনো এমন সহজ পদ্ধতি থাকা স্বত্বেও এই পবিত্র রমজানে মানুষকে ভোগান্তিতে ফেললেন? যাত্রীদের মধ্যে এমন ও আছে যারা ২/৩ শত কিলোমিটার দূর হতে এসেছেন বিমান বন্দরে। তাদের সাথে কতটুকু অমানবিক আচরণ হয়েছে তা বলবেন কি? এর দায়বার আপনার নয় কি? দেশের পতাকাবাহী বিমানকে হাসির পাত্র করার অধিকার আপনার আছে কি? এতে প্রমান হয়না আপনি অদক্ষতার পরিচয় দিয়েছেন?
 অামার দেখা সেরা মানুষ‌দের একজন অা‌রে‌ফিন স্যার

অামার দেখা সেরা মানুষ‌দের একজন অা‌রে‌ফিন স্যার

খবরটা দেখে মুগ্ধ হলাম। এই যু‌গের উপাচার্যরা যখন নি‌জের সব প্রাপ্য টাকা নি‌য়ে উল্টো বিশ্ব‌বিদ্যাল‌য়ের অাপ্যায়ন ভাতা, বৈশাখ ভাতা এই ভাতা সেই ভাতা সব অাত্মসাত ক‌রেন, তখন অামাদের অা‌রে‌ফিন স্যার, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, গত সাত বছ‌রে বিশ্ববিদ্যাল‌য়ের বি‌ভিন্ন বৈঠ‌কে যোগ দি‌লেও প্রাপ্য এক কো‌টি ২৫ লাখ টাকা নে‌ননি। অাবার কাউকে এই খবরটা ঘূণাক্ষরে জানা‌তেও দেন‌নি।

ত‌বে এবার বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট অধিবেশনে বিষয়টি সবার সামনে তুলে ধরেন কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. কামাল উদ্দীন। লিখিত বাজেটবক্তৃতায় ঢাবি কোষাধ্যক্ষ বলেন, ‘'একটি বিষয় উল্লেখ না করে পারছি না এই বিশ্ববিদ্যালয়ের উচ্চ পদে অধিষ্ঠিত প্রো-উপাচার্য, অা‌মি কোষাধ্যক্ষসহ সবাই বিভিন্ন পর্যায়ের সভাসমূহে যোগ দি‌য়ে ‘সিটিং অ্যালাউন্স’ অত্যন্ত আনন্দের সাথে গ্রহণ করেন। শুধুমাত্র আমাদের উপাচার্য বিশ্ববিদ্যালয়ের ঘাটতি কমানোর জন্য কোন সিটিং অ্যালাউন্স গ্রহণ করেননি। ফ‌লে গত সাত বছরে তার প্রাপ্য ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা বিশ্ব‌বিদ্যাল‌য় পে‌য়ে‌ছে। উচ্চ নৈতিকতার জন্য এটা একটি অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত নয় কি?’'

অা‌মি জানি না অতী‌তে কোন‌দিন কোন উপাচার্য এমনটা ক‌রে‌ছেন কী না! বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতি ক‌তোটা ভা‌লোবাসা থাক‌লে একজন উপাচার্য এটা ক‌রেন ভা‌বি অা‌মি। শুধু তাই নয়, ভর্তি পরীক্ষায় প্রধান পরীক্ষক হিসে‌বেও উপাচার্য কোনো ভাতা গ্রহণ করেননি। তিনি প্রথম থেকে এই বিষয়টির চর্চা করে আসছেন।

অা‌মি অা‌রে‌ফিন স্যার‌কে ঘ‌নিষ্ঠভা‌বে চি‌নি-জা‌নি গত ১৫ বছর যাবত। অা‌মি যখন ব‌লি বাংলা‌দে‌শে স্যা‌রের ম‌তো উপাচার্য হয় না, তখন কেউ কেউ পাল্টা বিতর্ক তো‌লেন, স্যার না‌কি দলীয় উপাচার্য। অাচ্ছা, দলীয় ছাড়া ক‌বে কোন উপাচার্য এখন এই বাংলা‌দে‌শে নি‌য়োগ পান? কিন্তু দলীয় হ‌য়ে সবাই যেখা‌নে অ‌নিয়মে গা ভা‌সি‌য়ে দেন, দুর্নীত‌ি ক‌রেন, স্যার কিন্তু কোনোটাই ক‌রেন‌নি। বরং সৎ মানুষ হয়েই থেকে গেছেন।

স্যার যখন শুধু শিক্ষকতায়, তখন থে‌কে স্যা‌রের গ্রীণ রোডের বাসায় যাই। বিরোধী দ‌লের পুরো সময়টা স্যার‌কে দে‌খে‌ছি। স্যার উপাচার্য হওয়ার পরও মা‌ঝে ম‌ধ্যে যাই গল্প কর‌তে। শুধুই গল্প। তখন দে‌খে‌ছি নানাজন নানা স্বার্থ নি‌য়ে স্যা‌রের কা‌ছে যান। অামিও খুব বড় গলায় বল‌তে পা‌রি, গত ১৫ বছ‌রে অা‌মি কোনোদিন নি‌জের কোনো স্বার্থ নি‌য়ে কিংবা শিক্ষক, কর্মকর্তা হ‌বো ব‌লে স্যা‌রের কা‌ছে যাই‌নি। বা‌কি জীবনেও যেন যেন যেতে না হয়।

কথাগু‌লো বলার কারণ ‌যে‌হেতু কোনো স্বার্থ অামার নেই অামি নির্ম‌োহভা‌বে বল‌ছি, অামার দেখা একজন অসাধারণ মানুষ অা‌রে‌ফিন স্যার। কিন্তু অসাধারণ হ‌য়েও খুব সাধারণ জীবন যাপন ক‌রেন। এই বিশ্ববিদ্যাল‌য়ের অ‌নেক পরিচালক থে‌কে শুরু ক‌রে সদ্য যোগ দেয়া কর্মকর্তা বা শিক্ষকের কা‌ছে যখন ছাত্র‌দের যে‌তে কষ্ট হয় তখন স্যা‌রের দরজা সবসময় খোলা। মস‌জিদে জুমার নামাজে সবাই যখন অা‌গে দাঁড়ান, স্যার বাই‌রে মা‌টি‌তে ব‌সে নামায প‌ড়েন।

অাজ যখন জানলাম এই বাংলা‌দে‌শের স‌চিব, অামলা কামলা শিক্ষক - প্রায় সবাই যখন মি‌টিং ক‌রেই টাকা নেন, বা টাকার জন্য মি‌টিং ক‌রেন তখন অাম‌া‌দের অা‌রে‌ফিন স্যার উল্টো নিজের টাকা বিশ্ব‌বিদ্যালয়কে দেন।

অামার দেখা সেরা মানুষ‌দের একজন অা‌রে‌ফিন স্যার। অাপনা‌কে স্যালুট, স্যার!

লেখক : সাবেক সাধারণ সম্পাদক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ফিল্ম সোসাইটি।

(শরীফুল হাসানের ফেসবুক পেইজ থেকে সংগৃহীত)

মঙ্গলবার, জুন ২০, ২০১৭

১১ বছর বয়সী শিশুকে যৌন হয়রানি করার দায়ে পাকিস্থানী নাগরিক গ্রেফতার।

১১ বছর বয়সী শিশুকে যৌন হয়রানি করার দায়ে পাকিস্থানী নাগরিক গ্রেফতার।

১১ বছর বয়সী শিশু বাসা ফেরার পথে পাকিস্থানী নাগরিক (২৮) দ্বারা যৌন হয়রানি শিকার হয়েছে যা দুবাই আদালতে বিচারাধীন ।

অভিযোগকারীর পিতা বলেন "আমার ছেলে যখন বাসায় ফেরে তখন তাকে হতাশ ও ভীত মনে হয়েছে, আমি তাকে জিজ্ঞাস করি কি হয়েছে, তখন সে জানায় ওই ব্যক্তি তার সাথে জোর করে এবং তাকে উত্ত্যক্ত করে"

পরে বিল্ডিং এর  সি সি ক্যামেরার ভিডিও দেখে আমার ছেলে আসামী চিহ্নিত করে।"

২১ জুন ২০১৭ তারিখে এ মামলার রায় হবে বলে দুবাই কোর্ট থেকে জানা গেছে ।  এর আগেও পাকিস্থানী নাগরিক দ্বারা যৌন হয়রানির অনেক ঘটনা ঘটেছে । 

আজ বিশ্ব ওয়াইফাই দিবস - আমিরাতে ৭ দিন ফ্রী ওয়াইফাই ব্যবহারের সুবিধা

আজ বিশ্ব ওয়াইফাই দিবস - আমিরাতে ৭ দিন ফ্রী ওয়াইফাই ব্যবহারের সুবিধা

এই ঈদের আনন্দকে আরো একটু বাড়িয়ে দিতে আমিরাতের মোবাইল ফোন কোম্পানীগুলো সর্ব সাধারনের জন্য আগামী ৭ দিনের জন্য  ফ্রী ওয়াইফাই ব্যবহারের সুবিধা ঘোষনা করেছে ।

জুন ২০  বিশ্ব ওয়াইফাই দিবসকে সামনে রেখে সংযুক্ত আরব আমিরাতের জুড়ে ৪০০ টি স্থানে ফ্রী ওয়াইফাই ব্যবহারের সুবিধা ঘোষনা করেছে যা আগামী ২৭ জুন ২০১৭ পর্যন্ত চলবে।
২০১৬ সালের আমিরাতের শীর্ষ রেমিটন্স প্রেরণকারী দেশ - বাংলাদেশ অষ্টম

২০১৬ সালের আমিরাতের শীর্ষ রেমিটন্স প্রেরণকারী দেশ - বাংলাদেশ অষ্টম

বিশ্বের ৩ টি দেশ যারা সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে সর্বোচ্চ রেমিটেন্স প্রেরন করে ।

ভারত, চীন, ফিলিপাইনের রেমিটেন্স প্রেরন এক বছরে ১৫৩.৬ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে
কোথায় রেমিট্যান্স যান: ২০১৬ সালের রেমিট্যান্স স্থানান্তর শীর্ষ দেশগুলোর তালিকা
(মার্কিন $ বিলিয়ন)

১. ভারত: - ৬২.৭
২. চীন: - ৬১
৩. ফিলিপাইন - ২৯.৯
৪. মেক্সিকো: - ২৮.৫
৫. পাকিস্তান: - ১৯.৮
৬. নাইজেরিয়া: - ১৯
৭. মিশর: - ১৬.৬
৮. বাংলাদেশ: - ১৩.৭
৯. গুয়াতামালা - : ৭.৪
১০. লেবানন: - ৭.৩

সোমবার, জুন ১৯, ২০১৭

আবুধাবি ক্রুজ ট্রামিনাল এর রেকর্ড ব্রেকিং বছর

আবুধাবি ক্রুজ ট্রামিনাল এর রেকর্ড ব্রেকিং বছর

এ বছর আবুধাবি ক্রুজ টার্মিনাল আশাতীত সাফল্য দেখিয়েছে। আবুধাবি ক্রুজ টার্মিনালের মাস্টার ডেভলপার, অপারেটর এবং ম্যনেজার জানায়  গত বছরের চেয়ে এ বছর যায়েদ পোর্ট এবং স্যার বানিয়াস পোর্টে ৪০% ভেসেল বৃদ্ধি এবং ৪৮% যাত্রী বেড়েছে। 

২০১৬-১৭ সালে এই পোর্ট গুলিতে যাত্রী ছিল ৩৪৫,৬৬২ যা গত ২০১৫-১৬ সালে ছিল ২৩২,৬০৫ অন্যদিকে ভেসেলের সংখ্যা ২০১৬-১৭ ছিল ১৬১ এবং ২০১৫-১৬ সালে ছিল ১১৫টি। আবুধাবিতে দুটি ক্রুজ টার্মিনাল রয়েছে একটি যায়েদ পোর্ট এবং আরেকটি স্যার বানিয়াস পোর্ট। গত বছর ১৬% যাত্রী বেড়েছিল আর এ বছর বেড়েছে ৪৮% যদিও আমরা আশা করেছিলাম ৬-৮%। আবুধাবি পোর্টের সিইও ক্যাপ্টেন মোহাম্মদ আল শামসি বলেন, রেকর্ড ব্রেকিং বছর হওয়ার মুলে রয়েছে আবুধাবি তথা আমিরাত দিনে দিনে ব্যবসা এবং পর্যটনের হাব হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করছে।