মঙ্গলবার, এপ্রিল ১৮, ২০১৭

পাকিস্তানী নাগরিকের ৫১৪ মিলিয়ন দিরহামের ডিপ্লোমা সনদ প্রতারণার কথা স্বীকার


৩১ বছর বয়সী এক পাকিস্তানী নাগরিক ১৪০ মিলিয়ন ডলারের স্কুল এবং কলেজের ডিপ্লোমা সনদ প্রতারণায় তার জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে। একটি পাকিস্তানী কোম্পানীর সহায়তায় সে এই প্রতারণা করে যা সে দেশের আইন প্রয়োগকারী সংস্থা বন্ধ করে দিয়েছে। করাচির উমাইর হামিদ সোমবার যুক্তরাষ্ট্রের জেলা জজ রনি আব্রামসের নিকট আন্তর্জাতিক ডিপ্লোমা মিল স্কিম সংক্রান্ত ওয়্যার প্রতারণা ষড়যন্ত্রে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে যারা হাজার হাজার গ্রাহকের কাছ থেকে অর্থ সংগ্রহ করেছে। এই অভিযোগের সর্বোচ্চ সাজা ২০ বছর এবং হামিদকে আগামী জুলাই মাসে দন্ডাদেশ দেওয়া হবে। হাজার হাজার গ্রাহকের কাছ থেকে প্রায় ১৪০ মিলিয়ন ডলার সংগ্রহকারী চক্রের সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে গত ডিসেম্বর তাকে আটক করা হয়- নিউইয়র্কের সাউদার্ন ডিস্ট্রিক জানায়। অভিযোগপত্রে বলা হয় হামিদ এবং তার সহ ষড়যন্ত্রকারীরা ওয়েবসাইট এবং ফোনে গ্রাহকদের নিকট মিথ্যা প্রতিনিধিত্বের দাবী করে, প্রতারণাপূর্বক তাদেরকে সংশ্লিষ্ট কলেজ এবং হাই স্কুলে ভর্তি করে এবং গ্রাহকদের নিকট থেকে অকপটে ফি আদায় করে জাল ডিপ্লোমা সনদ ইস্যু করে। ২০১৫ সালের মে মাসে এক্্রাক্ট নামের কোম্পানীটি পাকিস্তানী আইন প্রয়োগকারী সংস্থা কর্তৃক বন্ধ করে দেওয়া হয় এবং এর সাথে সংশ্লিষ্ট অন্যান্য ব্যক্তিবর্গকে পাকিস্তানেই আইনের মুখোমুখী করা হয়। যাইহোক, ২০১৫ সালের মে মাসের পর হামিদ যুক্তরাষ্ট্রে বিভিন্ন গ্রাহকদের নিকটে মিথ্যা ও প্রতারণাময় প্রতিনিধিত্বের মাধ্যমে জাল ডিপ্লোমা সনদ বিক্রির এই ব্যবসা পুনরায় চালু করে।

শেয়ার করুন

0 comments: