শুক্রবার, ডিসেম্বর ০৮, ২০১৭

৮ই ডিসেম্বর হানাদার মুক্ত হয় ৮ জেলা


 
১৯৭১ সালের ৮ই ডিসেম্বর হানাদার মুক্ত হয় মৌলভীবাজার, বরিশাল, চাঁদপুর, কুমিল্লা, পিরোজপুর, পটুয়াখালী, ঝালকাঠি ও খাগড়াছড়ি।
 
তবে, স্বাধীনতার এত বছর পরেও এসব জেলার সম্মুখ সমরস্থান, গণকবর আর গণহত্যার স্মৃতিচিহ্নগুলো সংরক্ষণে নেই কোনো উদ্যোগ।



৬ই ডিসেম্বর মৌলভীবাজারে মুক্তিযোদ্ধাদের আক্রমণে পাকিস্তান হানাদার বাহিনী পিছু হটতে বাধ্য হয়। ৮ই ডিসেম্বর বর্তমান জজ কোর্ট ভবনে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাধীন বাংলাদেশের পতাকা ওড়ায় মুক্তিযোদ্ধারা।

৮ই ডিসেম্বর হানাদার মুক্ত হয় চাঁদপুর। শহীদদের স্মরণে এ জেলায় নির্মাণ করা হয়েছে ভাস্কর্য 'অঙ্গীকার'। এছাড়া, মোলহেডের বধ্যভূমিতে 'রক্তধারা' নামে শহীদ স্মৃতিসৌধ ও বোমা বানাতে গিয়ে চাঁদপুরের প্রথম চার শহীদ স্মরণে 'মুক্তিসৌধ' নির্মাণ করা হয়েছে।

রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের মধ্য দিয়ে ৮ই ডিসেম্বর কুমিল্লাকে মুক্ত করে বীরযোদ্ধারা। এ জেলার অরক্ষিত বধ্যভূমি ও গণ-কবরগুলোকে সংরক্ষণের পাশাপাশি একটি মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতি জাদুঘর স্থাপনের দাবি মুক্তিযোদ্ধা সন্তানদের।



৮ই ডিসেম্বর খাগড়াছড়ি জেলার রামগড় শহর পাকিস্তানী হানাদার বাহিনী থেকে মুক্ত হয়।

৬ই ডিসেম্বর মুক্তিযোদ্ধারা পরিকল্পনা অনুযায়ী তিনদিক থেকে পিরোজপুর আক্রমণ করে। তবে, এরইমধ্যে দেশের বিভিন্ন এলাকা মুক্ত হওয়ার খবরে পাকিস্তানি সেনারা পিরোজপুর ছেড়ে পালিয়ে যায়।

১৯৭১ সালের এই দিনে হানাদার মুক্ত হয় পটুয়াখালী জেলা। তবে, স্বাধীনতার ৪৬ বছর পরও জেলার গণকবরসহ স্মৃতি বিজড়িত স্থানগুলো আজও রয়েছে অরক্ষিত।

৭১'র এই দিনে মুক্তাঞ্চলে পরিণত হওয়া ঝালকাঠিতে এ পর্যন্ত ২১টি বধ্যভূমি ও গণকবর আবিস্কৃত হলেও সরকারিভাবে সেগুলো সংরক্ষণের উদ্যোগ নেয়া হয়নি।

১৯৭১ সালের এই দিনে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী বরিশাল থেকে পালিয়ে যাওয়ায় মুক্ত হয় শহর। সর্বত্র ওড়ানো হয় স্বাধীন বাংলার পতাকা।

শেয়ার করুন

0 comments: