বৃহস্পতিবার, এপ্রিল ৩০, ২০২০

করোনার উপসর্গ দেখা দিলে লুকোচুরি নয় - মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন

মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন বলেছেন, করোনা ভাইরাস একটি ছোঁয়াছে রোগ। তাই কোনো ধরনের আলামত দেখা গেলে তা গোপন না করে চিকিৎসককে খোলামেলা ভাবে জানিয়ে দিতে হবে। অন্যথায় আক্রান্ত রোগীর সংস্পর্শে এসে চিকিৎসক নিজেই আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা শতভাগ।
মনে রাখতে হবে চিকিৎসকরা আক্রান্ত হলে চিকিৎসাসেবা ব্যাহত হবে। তাই  কারো এ ধরনের রোগের উপসর্গ দেখা দিলে লুকোচুরি করবেন না।
বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) সকালে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে করোনা টেস্টিং ইউনিট পরিদর্শনকালে মেয়র এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, করোনা ভাইরাসজনিত  সংক্রমণ এড়াতে সরকার সাধারণ ছুটি ঘোষণা করেছে, কারণ এ রোগের প্রতিকার পেতে হলে মানুষে-মানুষে সংস্পর্শ এড়িয়ে চলতে হবে। কিন্তু দুঃখের বিষয় দেখা যাচ্ছে আমরা কেউ কেউ এই ছুটিকে উপভোগ্য করে তুলেছি, যা কাম্য নয়। এই ছুটি উপভোগের জন্য নয়,  ঘরে থেকে সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত করাই এ রোগের প্রধান প্রতিকারমূলক ব্যবস্থা। বস্তুতপক্ষে আমরা সবাই এখন এই মহামারী জয়ের যুদ্ধে শামিল, আমরা যুদ্ধ করছি করোনাকে সামনে রেখেই। তাই প্রত্যেকের উচিত স্বাস্থ্যবিধি মেনে জনসমাগম এড়িয়ে, বার বার হাত ধুয়ে সচেতন থাকা ও অন্যজনকে সচেতন করা। এতেই আমাদের মুক্তি।
মেয়র বলেন, আমাদের এই দুুঃসময়ে জীবন  ও জীবিকা দুটোকেই প্রাধান্য দিতে হচ্ছে। কিন্তু একশ্রেণির মানুষ কোনোভাবেই জীবিকা নির্বাহ করতে পারছে না। তাদের জন্য সরকারি সহযোগিতার পাশাপাশি সমাজের বিত্তবানদের এগিয়ে আসতে হবে।
মেয়র চমেকের ল্যাব পরিদর্শনে সন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, অত্র অঞ্চলে দ্রুত করোনা রিপোর্ট পাওয়ার ক্ষেত্রে এ ল্যাব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।তিনি নগরবাসীকে ধৈর্য সহকারে চিকিৎসাসেবায় নিয়োজিতদের সহযোগিতার আহ্বান জানান।চমেক অধ্যক্ষ প্রফেসর ডা. শামীম হাসান জানান, করোনা ল্যাব এখন চট্টগ্রামবাসীর সেবা দিতে পুরোদমে প্রস্তুত। কয়েকদিনের মধ্যে জনগণের জন্য উন্মুক্ত করা হবে। ফলে দৈনিক ৯০ জন লোক এখানে করোনা পরীক্ষা করাতে সক্ষম হবেন।
পরিদর্শনকলে কাউন্সিলর শৈবাল দাশ সুমন, বিএমএ চট্টগ্রামের সভাপতি ডা. মোহাম্মদ মুজিবুল হক খান, সাধারণ সম্পাদক ডা. ফয়সল ইকবাল চৌধুরী, ডা. রিদোয়ান, ডা. পীযূষ দত্ত, ডা. এহসানুল হক কাজল, ডা. অমিত ঘোষ উপস্থিত ছিলেন।

শেয়ার করুন

0 comments: