সোমবার, মে ০৪, ২০২০

রেমিটেন্স যোদ্ধা দৌলতের মৃতদেহ আজ দেশে যাবে।

এম এ মুছা।
সংযুক্ত আরব আমিরাত

সংযুক্ত আরব আমিরাতে করোনা ভাইরাস এবং হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু বরণ করা প্রায় ত্রিশটি মৃতদেহ পড়ে আছে আমিরাতের বিভিন্ন প্রদেশের হাসপাতালের হিমগারে।বৈশ্বিক মহামারী কোভিট ১৯ এর প্রার্দুভাবের কারণে সব ধরণের প্লাইট বন্ধ থাকায় দীর্ঘ দিন ধরে পড়ে আছে মৃতদেহ গুলো।ইতিমধ্যে অনেক পরিবার তাদের স্বজনের মৃতদেহ আমিরাতে দাফনের অনুমতি দেওয়াতে বিশের অধিক প্রবাসীকে ধর্মীয় বিধি মতে দাফন করা হয় বলে জানা যায়।
দীর্ঘ দিন সর্ব প্রথম আজ দুবাই প্রবাসী চট্টগ্রাম হাটহাজারী ফতেয়াবাদ এলাকার অধিবাসী মোহাম্মদ দৌলত । পিতা,বজল আহম্মেদ এর মৃতদেহ দেশে নেওয়া হচ্ছে।আজ ৪মে সকালে সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। Fly Dubai বিমান যোগে দুবাই সময় সন্ধ্যা ৭টায় প্লাইট ছাড়বে , রাতে ঢাকায় পৌঁছবে এবং আগামীকাল চট্টগ্রামে তার গ্রামের বাড়িতে দাফন করা হবে বলে জানান কমিনিটি নেতা নাসির তালুকদার। তিনি আরো বলেন এই মৃতদেহ সম্পুর্ন পারিবারিক খরচে নেওয়া হচ্ছে । বর্তমানে অনেক প্রবাসীর লাশ মর্গে পড়ে আছে । মৃতদেহ পাঠানোর জন্য অনেক দিন পর্যন্ত কষ্ট করছি তার নিকটতম বন্ধু  মনির হোসেন মুন্না. তার চাচা মোহাম্মদ ইউনুস কে নিয়ে এবং আমাদের পরামর্শ দিয়ে সহয়তা করেছেন কনসাল জেনারেল মোহাম্মদ ইকবাল হোসেন খান ও শ্রম সচিব ফকির মনোয়ার হোসেন।
উল্লেখ্য গত কয়দিন ধরে প্রবাসীদের মাঝে যারা মৃতবরণ করেছেন তাদের মধ্যে বেশীরভাগ রেমিটেন্স যোদ্ধা হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে।
স্বজনদের অনেকে জানান পরিবারের একমাত্র উপার্জনশীল ব্যাক্তিকে হারিয়ে তারা দিশেহারা এখন।
এমতাবস্থায় প্রবাসীদের দাবী প্রবাসে মৃতবরণ করা প্রবাসী পরিবারের পাশে দাঁড়াবেন সরকার।শুধু মাত্র তিন লাখ ত।রিশ হাজার টাকা দিয়ে দায় না সেরে পরিবারের জন্যে মাসিক ভাতার ব্যবস্হা করা হোক।
অন্যতায় অনেক মৃত প্রবাসীর সন্তানদের পড়া লেখা বন্ধ হয়ে যাবে এবং পরিবারটি মানবতার জীবন যাপন করবে।

শেয়ার করুন

0 comments: